Share this link via
Personality Websites!
অর্থাৎ অপরের সম্পদ দেখে স্বয়ং নিজে সম্পদশালী হওয়ার স্বপ্ন দেখার পরিবর্তে যেই স্বল্প মাল (অর্থাৎ পাত্র) ছিল, তাও তিনি তাঁর নিকট রাখলেন না। অনুরূপভাবে আরো অনেক বুযুর্গুদের ঘটনা রয়েছে যে, তারা নিজেদের নিকট কিছুই রাখতেন না, যা আসতো বন্টন করে দিতেন। স্বয়ং আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم নিজে অন্য সময়ের (আহার করার) জন্য কিছু বাঁচিয়ে রাখতেন না। তেমনিভাবে অনেক আউলিয়ায়ে কিরামের ঘটনা রয়েছে যে, তারা শুধুমাত্র এক সময় আহার করতেন, আর যা বেঁচে যেতো তা দান সদকা করে দিতেন, অন্য খাবার পাওয়ার কোন প্রকাশ্য উপায় নেই, আল্লাহ পাকের ঐ নেককার বান্দাগণ তাওয়াক্কুল করতেন, আল্লাহ পাকের উপর ভরসা করতেন, যদি কোন মানুষকে অনুসরণ করতে হয় তবে এসব মনিষীদের করুন। আহ! যদি এসব মনিষীদের কদমের ধুলি আমাদের নসীব হয়ে যেতো, আমাদেরও যদি আল্লাহ পাকের দরবারে কোন মর্যাদা হয়ে যেতো। اٰمین بِجاہِ خاتَمِْالنَّبِیّٖیْن صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم
হীনমন্যতা থেকে বেঁচে থাকার ৩টি উপায়
হে আশিকানে রাসূল! মনবিজ্ঞানীদের মতে হীনমন্যতা স্বয়ং কোন বিষয় নয়, এটা শুধুমাত্র একটি অনুভূতি। যে ব্যক্তি হীনমন্যতার শিকার হয়ে থাকে, সে মূলত ৩টি বা এই ৩টির মধ্যে একটি মানসিক রোগের শিকার হয়ে থাকে, এজন্য সে ঐ হীনমন্যতায় পতিত হয়ে যায়। সেই ৩টি মানসিক রোগ হলো: (১) অকৃতজ্ঞতা (২) Aimlessness (জীবনের কোন নির্দিষ্ট লক্ষ্য না থাকা) (৩) আত্মতুষ্টি।
যেসব লোক বঞ্চনা মানসিকতার শিকার হয়, সে কোন না কোন সময় নিজের উপর কুধানার বশবর্তি হয়ে থাকে, তাদের
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami