Share this link via
Personality Websites!
اَلْحَمْدُ لِلّٰه বলুন * সন্ধায় ঘরে পৌঁছেছি, اَلْحَمْدُ لِلّٰه বলুন * সন্তানদের দেখেছি, اَلْحَمْدُ لِلّٰه বলুন * পানি পান করেছি তো اَلْحَمْدُ لِلّٰه * খাবার খাচ্ছি তো اَلْحَمْدُ لِلّٰه * চা পান করেছি তো اَلْحَمْدُ لِلّٰه। এভাবে اَلْحَمْدُ لِلّٰه বলার অভ্যাস বানিয়ে নিন। যদি আমরা শুধুমাত্র اَلْحَمْدُ لِلّٰه বলার সুযোগগুলো গণনা করি আর সেইসময়ে اَلْحَمْدُ لِلّٰه বলার অভ্যাসও করি তবে اِنْ شَآءَ الله নিজের বঞ্চিত হওয়ার বিষয়াদির ব্যাপারে চিন্তা করার সময়ই থাকবে না।
“اَلْحَمْدُ لِلّٰه” বলার একটি অনন্য উপকার
আল্লাহ পাকের অনুগ্রহে اَلْحَمْدُ لِلّٰه ঐ মধূর বাক্য, যা মুখে আসে পরে, কিন্তু পূর্বে ঠোঁটে মুচকি হাসি ছড়িয়ে দেয়। জি হ্যাঁ! اَلْحَمْدُ لِلّٰه বলার চাহিদা হলো যে, বান্দা যেনো মুচকি হেসে বলে। আপনি হয়তো কখনো দেখেননি যে, কেউ কান্নারত অবস্থায় اَلْحَمْدُ لِلّٰه বলেছে, হয়তো এরকম কখনো হবে না যে, বান্দার চেহারার রঙ পরিবর্তিত হয়েছে আর সে মুখে اَلْحَمْدُ لِلّٰه বলছে। সাধারণত লোকেরা যখনই اَلْحَمْدُ لِلّٰه বলে তখন মুচকি হেসেই বলে, যদি আমরা اَلْحَمْدُ لِلّٰه বলার অভ্যাস বানিয়ে নিই, اِنْ شَآءَ الله নেকীও অর্জন হবে, চেহারায় মুচকি হাসিও ছড়িয়ে পড়বে আর আল্লাহ চান তো হীনমন্যতা থেকেও মুক্তি পেয়ে যাবো।
“اَلْحَمْدُ لِلّٰه” বলার ফযীলত
* আল্লাহ পাকের সর্বশেষ নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم সাহাবায়ে কিরামদের عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان ইরশাদ করলেন: ঢাল (অর্থাৎ শত্রুদের হামলা থেকে বাঁচার জন্য ব্যবহৃত হাতিয়ার) উঠাও! সাহাবায়ে কিরামগণ عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان আরয করলেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ! শত্রুরা কি হামলা করেছে? ইরশাদ করলেন: না (শত্রুরা হামলা করেনি) বরং জাহান্নামের মোকাবেলায় নিজেদের ঢাল উঠিয়ে নাও এবং
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami