Share this link via
Personality Websites!
একটি শব্দ, এক একটি বাক্য ইলম ও হিকমতের গভীর সমুদ্র। রাসূল পাকের মুখ ঐ মোবারক মুখ, যেই মুখ থেকে যা কিছু বের হতো, সেগুলো কেবল সত্য, সত্য, আর সত্যই হত, সত্য ব্যতিত এ মোবারক মুখ থেকে কখনো কিছু বের হত না। আল্লাহ পাক কুরআনে পাকে ইরশাদ করেন:
وَ مَا یَنْطِقُ عَنِ الْهَوٰىؕ(۳) اِنْ هُوَ اِلَّا وَحْیٌ یُّوْحٰىۙ(۴)
(পারা ২৭, সূরা নজম, ৩-৪)
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: আর তিনি কোন কথা নিজ প্রবৃত্তি থেকে বলেন না। তা তো ওহীহ, যা তার প্রতি (নাযিল) করা হয়।
* আশেকানে রাসূল উলামায়ে কিরামগণ ইলমে হাদীস শিখার ক্ষেত্রে একটি ভালোবাসার দিকও মাথায় রাখেন, তা এটাই যে, হাদীসে পাক আমাদের প্রিয় নবী হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর মোবারক মুখ থেকে বের হওয়া শব্দাবলী, এটা সেই শব্দাবলী যার মধ্যে হুযুরের মুখের সুগদ্ধি রয়েছে, এটা সেই শব্দাবলী যার মধ্যে মুস্তফার মুখের মিষ্ট ভাষা রয়েছে, এটা সেই শব্দাবলী যা আমাদের পৃথিবীর প্রাণ হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর কথার ধরণ স্বরণ করিয়ে দেয়।
অতএব আশেকানে রাসূল উলামায়ে কিরামগণ নিজের বক্ষকে হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর স্বরণ দ্বারা আবাদ করার জন্য, ইশকে রাসূল বৃদ্ধি করার জন্য আগ্রহ ও উদ্দীপনার সাথে ইলমে দ্বীন শিখতেনও ও সেটাকে সামনের দিকে প্রসারও করতেন।
এ ক্ষেত্রে যখন আমরা আলা হযরত ইমামে আহলে সুন্নাত رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর মত ব্যক্তিত্বকে দেখি তাহলে আলা হযরত رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ অত্যান্ত দক্ষ মুফতিও ছিলেন, তুলনাহীন আলেমে দ্বীনও আর তিনি কেবল আশেকে রাসূল নন বরং আশেকে রাসূলের ইমাম,
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami