Share this link via
Personality Websites!
হে আশিকানে রাসূল! অনেক মহান সৌভাগ্যবান বান্দার মদীনা মনোওয়ারায় হাযেরীর সৌভাগ্য নসীব হয় * আমরা যে নবী করীম রউফুর রহীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ’র কালেমা পড়েছি * যার ভালোবাসা হৃদয়ে সাজিয়ে রেখেছি * যার শাফায়াতের আশা রাখি * যদি সেই প্রিয় নবী হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর নূরানী রাওযার যিয়ারতের সৌভাগ্য নসীব হয় * সামনে সোনালী জালী থাকে * হাত বেঁধে * মাথা ঝুঁকিয়ে * হৃদয়ে মুস্তফার কথা স্বরণ করে * আর অশ্রু প্রবাহিত করে * আকাঙ্ক্ষার সহিত প্রিয় নবী হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর পবিত্র দরবারে সালাম পেশ করি, বিশ্বাস করুন! এই সৌভাগ্য লাভ করাটাই অনেক বড় নেয়ামত, যে সৌভাগ্যবান একবার এই সুযোগ পায় নিঃসন্দেহে সেই ভাগ্যের রাজা।
কিন্তু কুরবান হয়ে যান! দয়ালুর দয়া থেমে থাকে না, যিনি করুণাময় তাঁর অনুগ্রহ সীমাবদ্ধ নয়। প্রথমত এই নেয়ামত অনেক মহান আর যে বান্দার সেখানে উপস্থিত হওয়ার সুযোগ নসীব হয়ে যায়, সালাম আরজ করার সৌভাগ্য পাওয়া যায়, এর পাশাপাশি সৌভাগ্য পাওয়ার আরো অনুগ্রহ এটাও হয়ে থাকে যে নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর সদকায় আল্লাহ পাক সেই বান্দার সাথে একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করে দেয়, যে নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর খেদমতে তার সালামও উপস্থাপন করে আর সালাম আরজ কারীর দুনিয়া ও আখিরাতের কাজে তাকে সহযোগিতাও করে শুধু এতোটুকুতে শেষ নয়, তার উপর আরো অধিক দয়া ও আনুগ্রহ এটা হয়ে থাকে যে নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمকিয়ামতের দিন (সালাম আরজকারীর) তাকে শাফায়াত দ্বারা ধন্য করবে।
আজব করম শাহেওয়ালা তবার করতে হে
কেহ নাউমিদ কো উমিদওয়ার করতে হে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami