Share this link via
Personality Websites!
ইমামে আহলে সুন্নাত শাহ ইমাম আহমদ রযা খাঁন رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন:
কিয়াহি যোখ আফযা শাফায়াত হে তোমহারী ওয়াহ ওয়াহ
করয লেতিহে হে গুনাহ পরহেযগারী ওয়াহ ওয়াহ
(হাদায়িকে বখশিশ ১৩৪)
ব্যাখ্যা: অর্থ এটা যে আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কিয়ামতের দিন হাশরের ময়দানে যখন লোকদের সুপারিশ করবে তখন তার শাফায়াতের ধরন, এর স্বাদ, এবং এর আনন্দ এমন অনন্য হবে যে, যারা ক্ষমাপ্রাপ্ত, যারা গুনাহ করেনি, যারা বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ হওয়ার অধিকারী হবে, যারা পরহেযগার হবে তারা নবীর শাফায়াতের আগ্রহ দেখে ঈর্ষা করবে যে হায়! আমাদের পাল্লাতেও যদি গুনাহ এসে যেতো আর আমাদেরও শাফায়াত নসীব হয়ে যেতো।
সুতরাং! হাদীসে পাক থেকে বুঝা যায়, যে ব্যক্তি নূরানী রাওযা যিয়ারত করার সৌভাগ্য অর্জন করে, তাকে অন্য কেউ নয় বরং স্বীয় নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর সুপারিশ লাভ হবে, سُبْحٰنَ الله! আল্লাহ পাক নসীব করুন।
নিয়্যত কেবল পবিত্র রওযা যিয়ারতের জন্য যেনো হয়
হযরত আব্দুল্লাহ বিন ওমর رَضِیَ اللهُ عَنْہُ থেকে বর্ণিত, নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: مَنْ جَاءَنِي زَائِرًا যে ব্যক্তি আমার যিয়ারতের জন্য উপস্থিত হবে لَا تُعْمِلُهُ حَاجَةٌ اِلَّا زِيَارَتِي তা ব্যতীত তার অন্য কোন উদ্দেশ্য যেনো না হয় (অর্থাৎ না ব্যবসার জন্য আসলো, আর না অন্য কোন উদ্দেশ্য নিয়ে আসলো) শুধুমাত্র আমার যিয়ারতের জন্য মদীনা মনোওয়ায় পৌঁছলো كَانَ حَقّاً عَلَيَّ اَنْ اَكُونَ لَهُ شَفِيعاً يَوْمَ الْقِيَامَةِ আমার উপর হক যে আমি কিয়ামতের দিন তার জন্য সুপারিশ করবো।
(মুজামুল আউসাত, ৩/ ২৬৬ পৃষ্ঠা, হাদীস: ৪৫৪৬)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami