Share this link via
Personality Websites!
ফাতেহা ইত্যাদি অনুষ্ঠানে হয়ে থাকে। কিছু লোক তো বিয়ের কার্যাবলী বা কুরআনে পাকের তিলাওয়াতের মধ্যে মশগুল থাকে। আর কিছু লোক এক কোনায় তাদের কথা বার্তার আসর সাজিয়ে নেয়। তারপর অনর্থক কথা, গীবত, চুগলী, হাসি, তামাশা এবং অট্টহাঁসির মত ধারাবাহিকতা শুরু হয়। আল্লাহর ওয়াস্তে ভয় করুন! আমাদের এই ধরনের আমল দুনিয়া ও আখিরাতকে ধ্বংস করে দিবে। এই ধরনের লোকদের বিরুদ্ধে মসজিদ আল্লাহ পাকের দরবারে অভিযোগ করে। অতঃপর বর্ণনায় এসেছে; এক মসজিদ আল্লাহ পাকের দরবারে অভিযোগ করেছে যে, লোকেরা আমার ভিতর দুনিয়াবী কথা বার্তা বলে থাকে। ফেরেস্তার সাথে সে আমার সাক্ষাত হলো আর বললো: আমাকে তাদের ধ্বংস করার জন্য পাঠানো হয়েছে। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়া ১৬তম খন্ড, ৩১২ পৃষ্ঠা)
আসুন! মসজিদে দুনিয়াবী কথাবার্তাও মসজিদে হাদীসের ব্যাপারে তিরষ্কারের উপর বর্ণনা শুনি:
(১) “এমন এক সময় আসবে যে, লোকেরা মসজিদের ভিতর দুনিয়াবী কথা বলবে, তবে ঐ সময় তোমরা ঐ সব লোকের পাশে বসিও না। আল্লাহ পাকের ঐ কব লোকদের কোন পরওয়া নেই।”
(শুয়াবুল ঈমান, বাবু ফিস সলাত, ফসলুল মশি ইলাল মাসজীদ, ৩/৮৬, হাদীস- ২৯৬২)
(২) “মসজিদে দুনিয়াবী কথাবার্তা নেকীকে এই ভাবে খেয়ে ফেলে যেমনি ভাবে চতুষ্পদ জন্তু ঘাস খেয়ে ফেলে।”
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami