Share this link via
Personality Websites!
নিয়্যত সহকারে নিজের পরিবারে, প্রতিবেশী এবং আত্মীয়-স্বজনকে নামাযের উৎসাহিত করে মসজিদে নিয়ে আসুন। প্রবল ভাবে “মসজিদ ভরো সংগঠন” চালান এবং এক এক বেনামাযীকে ইনফিরাদি কৌশিশ করে নামাযী বানান। আর এভাবে নিজ মসজিদকে সুরক্ষা করুন।
যে ঘর তার অধিবাসীদের কারণে যদি আবাদ হয়, এটা কেউ দখল করতে পারে না। অন্যথায় খালি জায়গা যে কেউ দখল করে নিতে পারে। নেক আমল নাম্বার ১-এ কি রয়েছে? আসুন এটাকেও মনোযোগ সহকারে শুনি; “আপনি কি আজ পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামায়াত সহকারে মসজিদের ১ম কাতারে, ১ম তাকবীরের সাথে আদায় করেছেন? প্রত্যেকবার যে কোন এক ইসলামী ভাইকে আপনার সাথে মসজিদে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন কি?” এই নেক আমলের উপর আমলের বরকতে নিজেরও প্রথম কাতারে প্রথম তাকবীরের সাথে জামায়াত সহকারে নামায আদায় করার সৌভাগ্য হবে। এমনকি অন্যজনকেও নামাযের দাওয়াত দিয়ে মহান নেকীর মাধ্যমে সাওয়াবের ধনভান্ডার একত্রিত করার সৌভাগ্য হবে اِنْ شَآءَ الله।
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! ঐ মোবারক সময়ের কথা স্মরণ করুন, যখন দিন-রাত মসজিদ ভরপুর হয়ে থাকতো এবং নামাযীদের সৌন্দর্য বিরাজ করতো। যেমনি ভাবে-
হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত সায়্যিদুনা ইমাম আবু হামীদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ গাযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: নেককার লোক আখিরাতের চিন্তার কারণে মসজিদে পড়ে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami