Share this link via
Personality Websites!
দিয়েছি যদিও তা বৃষ্টির ফোঁটা ও বালির কণার সমপরিমাণ হোক না কেন।
আল্লাহর রাসূল, নূর নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আরও ইরশাদ করেনঃ হাজী যখন জামরাতে রমি করে (অর্থাৎ শয়তানদের দিকে পাথর নিক্ষেপ করে) তখন কেয়ামত পর্যন্ত কেউ তার প্রতিদান জানতে পারে না, যখন সে মাথা মুন্ডন করে তখন তার মাথা থেকে মুন্ডনকৃত প্রতিটি চুলের বিনিময়ে কেয়ামতের দিন নূর হবে এবং হাজী যখন কাবা শরীফের শেষ তাওয়াফ সম্পন্ন করে, তখন সে গুনাহ থেকে এতটাই পবিত্র হয়ে যায় যেমন সেদিন তার মা তাকে জন্ম দিয়েছিলো। (সহীহ ইবনে হিব্বান, কিতাবুল সালাত, পৃষ্টা ৫৮৬ হাদিস:১৮৮৭)
সুবহানাল্লাহ! প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! একটু ভাবুন! হজ্ব করার কত মহান ফজিলত , একজন হাজী যখন তার ঘর থেকে বের হয়, তখন প্রতিটি কদমের বিনিময়ে একটি করে নেকী লিপিবদ্ধ করা হয় , একটি গুনাহ মুছে ফেলা হয়, আরাফাতের ময়দানে তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়, হাজী যখন শয়তান কে পাথর নিক্ষেপ করে তখন তাকে অগণিত প্রতিদান দেয়া হয়, হাজী তার চুল মুন্ডন করে , তখন প্রতিটি চুলের বিনিময়ে তাকে কেয়ামতের দিন একটি করে নূর দেওয়া হবে। যখন একজন হাজী আল্লাহর ঘরের শেষ তাওয়াফ করে, তখন সে গুনাহ থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র হয়ে যায়। তাওয়াফ করলে সে গুনাহ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়। মকবুল হজ্বের পুরস্কার জান্নাত। হজ্ব অতীতের গুনাহ মুছে দেয়। হাজী তার পরিবার পরিজন হতে ৪০০ জনের সুপারিশ করবে। হাজী যার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে তাকেও ক্ষমা করে দেওয়া হয়। হাজী আল্লাহ পাকের মেহমান। হাজীর দোয়া কবুল হয়। হাজীর দরিদ্রতা মোচন করা হয়। যে হাজী হজ্বের সফরে মৃত্যুবরণ করে কিয়ামতের দিন সে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami