Share this link via
Personality Websites!
বিকালাঙ্গ হাজ্বির ঈমান দীপ্তিময় ঘটনা:
হযরত সায়্যিদুনা শফিক বলখী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: “আমি মক্কায়ে মুকাররমায় হজ্বের জন্য যাচ্ছিলাম, রাস্তায় এক বিকলাঙ্গ হাজীকে দেখলাম যে চলাফেরায় অপারগ ছিল, হেঁচড়িয়ে হেঁচড়িয়ে মক্কা শরীফের দিকে চলছিলো , আমি অত্যন্ত হতভম্ব হলাম যে, সে কেমন অদ্ভুত ব্যক্তি যে চলতে অক্ষম তারপরও কত উচ্চাকাঙ্খা এবং ভালোবাসার টানে মক্কা শরীফের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, আমি তার কাছে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলাম: ভাই “তুমি কোথা থেকে এসেছো ? সে বললো: “ আমি সমরকন্দ থেকে এসেছি। (সমরকন্দ হলো আয বিকিস্তানের একটি বিভাগ এবং বর্তমান ম্যাপ অনুযায়ী সমরকন্দ থেকে মক্কা শরীফের দূরত্ব প্রায় ৪ হাজার ৪১৭ কিলোমিটার) এত দীর্ঘ সফর আর সে ব্যক্তি চলতে অক্ষম তবুও হেঁচড়িয়ে হেঁচড়িয়ে চলছিলো। হযরত সায়্যিদুনা শফিক বলখী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন, আমি হতভম্ব হয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলাম: “কতদিন হলো সমরকন্দ থেকে রওয়ানা হয়েছো? উত্তরে বললো “দশ বছর হয়ে গেছে। এখন তো আশ্চর্যের সীমা রইল না, হযরত শফিক বলখী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ হতভম্ব হয়ে অবাক দৃষ্টিতে সেই সৌভাগ্যবান আশেকে রাসূলের দিকে তাকিয়ে রইলেন।সে জিজ্ঞাসা করলো, হে শফিক তুমি কী দেখছো ? আমি বললাম: “তোমার দুর্বলতা আর সুদীর্ঘ সফর আমাকে আশ্চর্য করে দিয়েছে। তখন সেই সৌভাগ্যবান আশেকে রাসূল অনেক সুন্দর উত্তর দিল: “হে শফিক! সফরের দুরত্বকে আমার ভালোবাসা নিকটবর্তী করে দিয়েছে আর রইল আমার দুর্বলতার ব্যাপার, আমার দুর্বলতার সহায়ক আমার মালিক ও মাওলা। ( আশেকানে রাসূলের ১৩০ ঘটনা পৃষ্টা ১২৪)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami