Share this link via
Personality Websites!
মানে বাহন, পাথেয় মানে সফরের যাবতীয় খরচ। উলামায়ে কেরাম বলেন, যার নিকট এতটুকু পরিমাণ সম্পদ থাকে যে, ঘর থেকে বের হয়ে মক্কা শরীফ পর্যন্ত পৌঁছতে পারবে, সেখানে অবস্থানের যাবতীয় খরচপাতি, সেখান থেকে ফেরার খরচপাতি, আর যতদিন হজ্বে ব্যয় হবে ততদিনের পরিবার-পরিজনের ভরণ-পোষণের পর্যাপ্ত সম্পদ থাকে, পথের নিরাপত্তাও থাকে তাহলে তার উপর হজ ফরয। (খাযায়িনুল ইরফান পারা: ৪ সূরা: আলে ইমরান, আয়াত: ৯৭, পৃষ্ঠা ১২৬)
মনে রাখবেন, হজ্ব ফরয হওয়ার সাথে সাথে তৎক্ষণাৎ হজ্ব করা ফরয, অর্থাৎ এতে তালবাহানা করা যে আগামী বছর যাব, মেয়েদের বিয়ে দেয়ার পর হজ্বে যাব, এখন কিছু বাণিজ্যিক বিষয়াদিতে আটকে আছি এগুলো সেরে তারপর হজ্বে যাব । আমি এটি সম্পূর্ণ করে নেই তারপর যাব, এই পদ্ধতি একেবারেই সঠিক নয়।
উলামায়ে কেরাম বলেনঃ যদি কারো উপর হজ্ব ফরয হয়ে যায়, কিন্তু সে হজ্বে না যায়, তালবাহানা করে, দেরী করতে থাকে, এ বছর নয় আগামী বছর যাব, এর পরের বছর যাব, এখনও অনেক জীবন বাকি পরে যাব, এভাবে করতে রইল অতঃপর সে গরীব হয়ে গেল তারপরও তার উপর হজ্ব ফরয থাকবে। এমতাবস্থায় তাকে ঋণ নিয়ে হজ্বে যাওয়া আবশ্যক, আল্লাহ পাক তার ঋণের ব্যবস্থা করে দিবেন।
(ওয়াকারুল ফতোওয়া, খন্ড ২ পৃষ্টা ৪৪২)
ফরজ হজ্ব না করার শাস্তি বার্তা:
হে আশেকানে রাসূল! যে ব্যক্তি হজ্ব ফরয হওয়া সত্ত্বেও হজ্ব করে না, হজ্বের প্রস্তুতি নেয় না সে মহা ক্ষতির মধ্যে রয়েছে। মুসলমানদের চতুর্থ খলিফা হযরত আলীউল-মুর্তাজা শেরে খোদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর সর্বশেষ নবী,
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami