Share this link via
Personality Websites!
হযরত শায়খ সৈয়দ আশরাফ জাহাঙ্গীর সিমনানী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ পাশেই বসা ছিলেন। তিনি বৃদ্ধ লোকটির আবেগভরা মনের বেদনার কথাগুলো শুনে তাকে কাছে ডাকলেন, বৃদ্ধটি হযরত শায়খ সৈয়দ আশরাফ জাহাঙ্গীর সিমনানী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর কাছে এলেন, হযরত শায়খ সৈয়দ আশরাফ জাহাঙ্গীর সিমনানী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ মুখে নয় বরং হাতে ইশারা করে বললেন: “যান। ব্যস এতটুকু ইশারা করার সাথে সাথেই সেই বৃদ্ধ লোকটি যিনি একটু আগেও ভারতে ছিলেন, তিনি নিজেকে মসজিদে হারামের একেবারে কাবা শরীফের সামনে পেলেন!
আল্লাহু আকবার! সেই বৃদ্ধ লোকটির তো ঈদ হয়ে গেল, হজ্বেও আগ্রহ ছিল হজ্বের বাসনা ছিল, তিনি উৎফুল্লতার সহিত কাবার তাওয়াফ করলেন, আরাফাতের ময়দানে গেলেন এবং অপরাপর হজ্বের সকল আনুষ্ঠানিকতাগুলো পালন করলেন। যখন হজ্বের মৌসুম শেষ হয়ে গেলো তখন বৃদ্ধটি মনে মনে ভাবলেন: “আমার কাছে তো দেশে ফেরার কোন অর্থ নেই, আমি তো আল্লাহ পাকের ওলীর কারামতে এখানে এসেছি । এই কথা মনে আসার সাথে সাথেই বৃদ্ধ লোকটি হযরত সায়্যিদুনা শায়খ জাহাঙ্গীর সিমনানী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ কে তার সামনে দাঁড়ানো দেখতে পেলেন। অতঃপর তিনি বৃদ্ধটিকে পূণরায় ইশারা করে বললেন: “যান। তারপর কী হলো, যে বৃদ্ধ লোকটি এখন মসজিদে হারাম শরীফে ছিলেন তিনি পলকেই ভারতে নিজের ঘরেই অবস্থান করছিলেন।
(আশেকানে রাসূলের ১৩০ টি ঘটনা,পৃঃ ৭৯)
কিউ কারনা মেরে কাম গাইব সে হাসান
বান্দাহ ভি হুঁ তো কেইছে বড়ে কার সায কা
(জাওকে নাত,পৃঃ১৪)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami