Share this link via
Personality Websites!
এর অলৌকিক মুজিযা যে, তাঁর কন্ঠস্বর কিয়ামত পর্যন্ত আগত লোকেরা শুনেছিল এবং যারা ভাগ্যবান তারা এই আহ্বানে লাব্বাইক বলেছিল।
(তাফসীরে কবীর পারা: ১৭ সূরা: হজ, আয়াত: ২৭ , ২১৯/৮)
হযরত ইমাম মুজাহিদ رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: যারা তখন লাব্বাইক বলেছিল তারাই জীবনে হজ্বের পরম সৌভাগ্য লাভ করে। যে একবার লাব্বাইক বলেছিল সে একবার হজ্ব করবে , যে দু'বার লাব্বাইক বলেছিল সে দু'বার হজ্ব করবে এবং যে বেশি লাব্বাইক বলেছে সে অধিকহারে হজ্বের সৌভাগ্য লাভে ধন্য হবে। (তাফসীরে কবীর পারা: ১৭ সূরা: হজ, আয়াত: ২৭ , ২২০/৮)
সুবহানাল্লাহ! প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! জানা গেল, আজ যারা হজ্বের সৌভাগ্য লাভ করে, অর্থ ব্যয় করে, সফরের কষ্ট সহ্য করে, কাবা তাওয়াফের সৌভাগ্য লাভ করে, মিনায় ও আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করে, মুজদালিফায় অবস্থান করে, সাফা মারওয়ায় ছুটাছুটি করে, এবং কষ্ট সহ্য করে, তারা ঢ়ৎধপঃরপধষষু এই বিষয়টি প্রকাশ করছে যে, আমরাও সেই ভাগ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত যারা হযরত ইব্রাহিম عَلَیْہِ السَّلَام এর আহ্বানে লাব্বাইক বলেছিলো।
হে আশেকানে রাসূল, প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের উপর হজ্ব ফরজ। আল্লাহ পাক ইরশাদ করেনঃ
وَلِلهِ عَلَى النَّاسِ حِجُّ الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: আর আল্লাহরই জন্য মানবকুলের উপর সেই ঘরের হজ্ব করা(ফরজ) যে সেটা পর্যন্ত যেতে পারে।
জানা গেল, যে ব্যক্তি কাবা শরীফ পর্যন্ত যাওয়ার সামর্থ্য রাখে তার উপর হজ্ব ফরয। সায়্যিদে আ'লম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم সামর্থ্যের ব্যাখ্যা “পাথেয়” ও “সাওয়ারি” দ্বারা করেছেন। সাওয়ারি
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami