Share this link via
Personality Websites!
এমনভাবে ফিরবে যেদিন তার মা তাকে জন্ম দিয়েছিল। (বুখারী কিতাবুল হজ্ব, পৃষ্টা ৪২৩ হাদিস:১৫২১) (২) বুখারী শরীফের হাদিসে রয়েছে, الْعُمْرَةُ إِلَى الْعُمْرَةِ كَفَّارة لما بيْنَهُمَا এক উমরা দ্বিতীয় উমরা পর্যন্ত মধ্যবর্তী সকল গুনাহের কাফ্ফারা, وَالحَجُّ المَبْرُورُ لَيْسَ لَهٗ جَزَاءٌ اِلَّا الْجَنَّةُ আর মকবুল হজ্বের প্রতিদান একমাত্র জান্নাত। (বুখারী কিতাবুল উমরা, পৃষ্টা ৪৭৫ হাদিস:১৭৭৩) (৩) মুসলিম শরীফের হাদিসে রয়েছে, রহমতের নবী, উম্মতের শাফায়াতকারী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন, اِنَّ الْحَجَّ يَهْدِمُ مَا كَانَ قَبْلَهٗ নিশ্চয়ই হজ্ব পূর্বের গুনাহ মাফ করিয়ে দেয়।
(মুসলিম কিতাবুল ঈমান, পৃষ্টা ৬৩ হাদিস:১২১)
হজ্বের পরও বান্দাদের হক আদায় করা আবশ্যক:
হে আশেকানে রাসূল! জানা গেল, ঈমান ও নেক আমল গুনাহ ক্ষমার মাধ্যম। উলামায়ে কেরাম বলেনঃ উমরাহ করলে ছোট গুনাহ ক্ষমা হয়ে যায় এবং মকবুল হজ্বে কবীরাহ গুনাহ ক্ষমা হওয়ার দৃঢ় আশা করা যায়।
এখানে মনে রাখতে হবে যে, হজ্বের বরকতে গুনাহ মুছে যায়, কিন্তু বান্দার হক থেকে রেহাই পাওয়া যায় না, যেমন কেউ ঋণ নিয়েছিল, ঋণ পরিশোধে দেরি করেছিল, তাহলে তার এই বিলম্ব করার গুনাহ হজ্ব করার মাধ্যমে ক্ষমা হয়ে যাবে , কিন্তু যে টাকা কর্জ নেয়া হয়েছে , তা ফেরত দিতে হবে।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
হাজী ৪০০ মানুষের সুপারিশ করবে:
হযরত আবু মূসা আল-আশআরী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ বর্ণনা করেন: একজন হাজী তার পরিবার পরিজনের মধ্যে ৪০০ জনের জন্য সুপারিশ করবে। এবং হাজী গুনাহ থেকে এমনভাবে পবিত্র হয়ে যাবে যেন তার মা তাকে জন্ম দিয়েছিল। (মুসনাদে বাযযার, খন্ড ৮ পৃষ্টা ১৭০ হাদিস:৩১৯৬)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami