Share this link via
Personality Websites!
অর্থাৎ আল্লাহ পাক নিয়ামত দান করেছেন, তখনো অন্তর প্রশান্ত থাকা আর আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছেন তখন ঐ অবস্থায়ও অন্তর প্রশান্ত থাকা, একে বলে আল্লাহ পাক প্রতিপালক হওয়ার ব্যাপারে সন্তুষ্ট থাকা।
আল্লাহ পাকের উপর রাজি হওয়া কাকে বলে?
হযরত রাবিয়া বসরিয়া رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہَا আল্লাহ পাকের একজন অলী, অনেক নেককার ও ইবাদতগুজার ছিলেন। একদিন তিনি উপস্থিত ছিলেন, তাঁর সামনে এক ব্যক্তি দোয়া করলো: হে আল্লাহ পাক! আমার উপর রাজি হয়ে যাও।
এই দোয়া করা অবশ্যই জায়িয, সাধারণত এমন দোয়া করাও হয়। কিন্তু আউলিয়ায়ে কামিলীনের ধরন অন্যরকম।তো, হযরত রাবিয়া বসরিয়া رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہَا যখন ঐ ব্যক্তির মুখ থেকে এই দোয়া করতে শুনলেন তখন বললেন: হে লোক! তোমার কি লজ্জা করছে না! আল্লাহ পাকের কাছে তাঁর সন্তুষ্টির দোয়া করছো অথচ খোদ তুমি তাঁর উপর রাজি নও।
কাছে বসা এক ব্যক্তি বললো: বান্দা আল্লাহ পাকের উপর রাজি হয়ে যাওয়ার অর্থ কী? বললেন: যখন তোমরা বিপদের সময়ও ঐভাবে খুশি হবে যেভাবে নিয়ামত পেলে খুশি হও, তখন বলা হবে তুমি আল্লাহ পাকের উপর সন্তুষ্ট। (ইহয়াউল উলুম, খন্ড: ৫, পৃষ্ঠা: ১৬৬)
উদাহরণস্বরূপ যদি কেউ এসে বলে যে তুমি কোটি টাকার লটারি জিতেছো তখন আমাদের অন্তরের অবস্থা কেমন হবে? আমরা খুশিতে আত্মহারা হয়ে যাবো, মন খুশি হয়ে যাবে, মুখ উজ্জল হয়ে যাবে, এমন মনে হবে যে হয়তো কোনো স্বপ্ন দেখছি। অন্যদিকে যদি কেউ এসে বলে: তোমার দোকানে আগুন লেগেছে এবং সমস্ত জিনিসপত্র পুড়ে গেছে, তখন আমাদের অন্তরের অবস্থা কেমন হবে? অন্তর পেরেশানিতে ডুবে যাবে, চেহারায় দুশ্চিন্তার প্রভাব স্পষ্ট হবে। হায় আমি শেষ হয়ে গেলাম, বরবাদ হয়ে গেলাম- হয়তো এমন কথা বলতে থাকবো।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami