Share this link via
Personality Websites!
হওয়ার এবং মুহাম্মদ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর নবী হওয়ার উপর সন্তুষ্ট হয়ে গেলো, সে ঈমানের মিষ্টতা পেয়ে গেলো। (তিরমিযি, ৬১৮ পৃষ্ঠা, হাদীস: ২৬২৩)
ওলামায়ে কেরামগণ বলেন: যেমনিভাবে আমাদের জিহ্বাকে চোষণ করা ও স্বাদ পরীক্ষা করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, তেমনিভাবে আমাদের অন্তরেও রূহানিয়্যতের (উদাহরণস্বরূপ ইবাদত ইত্যাদির) স্বাদ অনুভব করার যোগ্যতাও দেয়া হয়েছে। আমরা আমাদের জিহ্বায় কোনো জিনিস রাখলে তখন বুঝতে পারি যে এই জিনিসটা মিষ্টি নাকি টক, ঠান্ডা নাকি গরম। * একইভাবে যখন আমরা নামায পড়ি তখন আমাদের হৃদয় নামাযের স্বাদ অনুভব করে। * যখন আমরা রোযা রাখি তখন অন্তর রোযার স্বাদ অনুভব করে থাকে। * আমরা তিলাওয়াত করি * যিকির-আযকার করি * নেকীর দা’ওয়াত দিই * নাত শরীফ পাঠ করি * ইলমে দ্বীন শিখি, মোটকথা যে কোনো নেকী করি না কেনো আমাদের অন্তরে ঐসব আমলের স্বাদ অনুভব করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে কিন্তু যেমনিভাবে অনেক সময় যখন আমরা অসুস্থ হয়ে যাই, জ্বর আসে তখন মুখের স্বাদ পরিবর্তন হয়ে যায়, সব কিছু তিক্ত মনে হয়, একইভাবে যখন অন্তর রোগাক্রান্ত হয়, অন্তরে উদাসীনতার পর্দা পড়ে, অন্তর গুনাহের কারণে কালো হয়ে যায়, অহংকার, স্বার্থপরতা, দুনিয়ার ভালবাসা, সম্পদের ভালবাসা ইত্যাদি বাতেনী রোগসমূহ অন্তরে বাসা বাঁধে তখন আমাদের অন্তরও রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে। এরপর, না নামায পড়ার স্বাদ পাওয়া যায়, না রোযা রাখার আনন্দ মিলে। নেকীর কাজে মন লাগে না, এমনকী অন্তর থেকে ঈমানের নুর এবং তার স্বাদ দূর হয়ে যায়। যার এই অবস্থা হয়, তার উপর আবশ্যক হলো সে যেন তার অন্তরের চিকিৎসা করে আর তার চিকিৎসার উপায় কী? আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم একটি উপায় আমাদেরকে বাতলে দিয়েছেন যে বান্দা আল্লাহ পাক প্রতিপালক হওয়া, ইসলামকে দ্বীন হওয়া এবং হযরত মুহাম্মদ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم নবী হওয়ার ব্যাপারে সত্য মনে রাজি হয়ে যাওয়া, এর বরকতে গুনাহের অন্ধকার দূর হয়ে যাবে, অন্তর পরিষ্কার হয়ে যাবে এবং সে ঈমানের নুরানিয়্যত অনুভব করতে থাকবে।
(লমআতুল তানকিহ ফি শরাহ মিশকাতুল মাসাবীহ, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ৭৮-৭৯, হাদীসের ব্যাখ্যা: ৯)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami