Share this link via
Personality Websites!
হযরত রাবিয়া বসরিয়া رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہَا এর বাণীর উদ্দেশ্য হলো যেমনিভাবে বান্দা ধন সম্পদ পেয়ে খুশি হয়, তেমনিভাবে সম্পদ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার সংবাদ শুনেও খুশি হতে হবে, তখন সেটাকে বলা হবে এই ব্যক্তি আল্লাহ পাকের উপর সন্তুষ্ট।
ভালো, মন্দ তকদীর আল্লাহর পক্ষ থেকে
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! এটা কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়, আমরা ছোটবেলা থেকেই পড়ে ও শুনে আসছি: وَالْقَدْرِ خَیْرِہٖ وَشَرِّہٖ مِنَ اللهِ تَعَالیٰ তকদীরে প্রতিটি ভালো মন্দ বিষয় আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে আসে, * আমরা নিয়ামত প্রাপ্ত হই এটাও আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে * কোনো মুসিবত আসে তো তাও আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে * সম্পদ মিলে, এটাও আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে * দরিদ্রতার সম্মুখীন হই তো তাও আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে * সুস্থতা আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে * অসুস্থতাও আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে, মোটকথা তকদীরের প্রতিটি ভাল ও মন্দ আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে। সুতরাং যখন বান্দা এটা স্বীকার করে যে আল্লাহ পাক তার প্রতিপালক হওয়াতে সে সন্তুষ্ট তখন তার উচিৎ যে আল্লাহ পাকের প্রতিটি ফয়সালার উপর সন্তুষ্ট থাকা। যদি নিয়ামত পাওয়াতে খুশি হয় তাহলে বিপদের সময়ও খুশি থাকা। আল্লাহ পাকের কোনো ফয়সালার উপরই অসন্তুষ্ট না হওয়া এবং মুখে অভিযোগ না করা।
হ্যাঁ! আল্লাহ পাকের কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ ও সহজতার দোয়া করাতে কোনো অসুবিধা নেই!
اَللّٰھُمَّ اِنِّيْ اَسْأَلُکَ الْعَفْوَ وَالْعَافِیَۃَ فِي الدُّنْیَا وَالآخِرَۃِ (হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং প্রতিটি অমঙ্গল থেকে নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি)।
ছেলের মৃত্যুতে মুচকি হাসলেন...!
হযরত ফুযাইল বিন আয়ায رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ অনেক বড় অলী ছিলেন, মানুষ তাঁকে কখনো হাসতে দেখেনি। খোদাভীতি, কবর ও আখিরাত, হিসাব নিকাশ, পুলসিরাত ও জাহান্নামের আযাব ইত্যাদি নিয়ে চিন্তাভাবনায় মশগুল থাকতেন।
হযরত ফুযাইল বিন আয়ায رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর একজন পুত্র, হযরত আলী বিন ফুযাইল رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ। তিনিও অনেক নেককার, মুত্তাকী, খোদাভীতিসম্পন্ন ও মাতাপিতার খুবই বাধ্য
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami