Book Name:Shaitan Ke Darwaze
দ্বীনের গিলাফ
হযরত হামিদ লাফ্ফাপ رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِএর খেদমতে এক ব্যক্তি আরয করলো, আমাকে কিছু নসীহত করুন। তিনি বললেন: দ্বীনের হেফাযতের জন্য কুরআনুল কারীমের মত গিলাফ বানাও। আরয করলো, দ্বীনের গিলাফ কি? বললেন: প্রয়োজনের চেয়ে অধিক কথা বলা থেকে বেঁচে থাকা। মানুষের সাথে অপ্রয়োজনীয় মেলামেশা রাখা । এবং প্রয়োজনের চেয়ে অধিক না খাওয়া। আরো বলেন: যদি তোমরা জানতে যে, আল্লাহ পাকের নিকট রাসূলে পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এবং সাহাবায়ে কেরাম এর সাথে ঈমানদারদের সাথে জান্নাতে কেমন মেহমানদারী হবে, তবে এই সামান্য জীবনে কখনোই পেট ভরে খেতে না। (তাযকিরাতুল ওয়ায়েযীন, পৃ:৪৬)
ইবাদতের মিষ্টতা
হযরত ইমাম মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ গাজ্জালীرَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: পেট ভরে খাবার খাওয়ার কারণে ইবাদতের মিষ্টতা চলে যায়। মুসলমানদের প্রথম খলিফা হযরত সিদ্দিকে আকবরرَضِیَ اللهُ عَنْہُ বলেন: যখন থেকে মুসলমান হয়েছি, পেট ভরে খাবার খায়নি যাতে ইবাদতের মিষ্টতা নসীব হয়। আর যখন থেকে মুসলমান হয়েছি দীদারে ইলাহীর সূধা পান করার আকাঙ্ক্ষায় কখনো পেট ভরে পান করিনি । (মিনহাজুল আবেদীন, পৃ:৮৪)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! খুব শীঘ্রই মাহে রমযান বিদায় হয়ে যাবে এবং পানাহারের দিন এসে যাবে, যদিও হালাল খাবার একেবারে জায়িয, অবশ্য অধিক খাবার খাওয়া থেকে বেঁচে থাকাটাই উত্তম। এই কারণে মাহে রমযানের পরও আমাদের প্রথমত এটা চেষ্টা করতে হবে যে, নফল রোযার অভ্যাস গড়া, যদি রোযা নাও রাখতে পারি তবে উচিত হবে যে, হালাল খাবার তাও ক্ষুধা থেকে কম খাওয়ার অভ্যাস গড়ুন। এর বরকতে শরীর