Book Name:Shaitan Ke Darwaze
হে আশিকানে রাসূল! আমাদেরকে শয়তানের সাথে শত্রুতা করতে হবে, তাকে সব সময় শত্রুই মনে করতে হবে। এই কারণে আজ এই পাকাপোক্ত প্রতিজ্ঞা করে নিন যে, আমরা নামাযে কখনো অলসতা করব না, চাঁদ রাতের ইশার নামাযও জামাআত সহকারে আদায় করব, ফজরের নামাযও জামাআত সহকারে আদায় করব। ঈদের দিনও পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামাআত সহকারে আদায় করব এবং এরপর সারাজীবন পাঁচ ওয়াক্ত নামায মাসজিদে জামাআত সহকারে বরং প্রথম কাতারে আদায় করতে থাকবো। اِنْ شَآءَ الله
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
বে-নামাযী জাহান্নামের উপযুক্ত
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! নামায ইসলামের মৌলিক রুকনসমূহ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ রুকন। এটাকে ইসলামের স্তম্ভ বলা হয়েছে। (কানযুল উম্মাল, অংশ: ৭ম, খন্ড: ৪, হাদিস: ১৮৮৮৫) আর আমরা জানি যে, যখন বিল্ডিংয়ের স্তম্ভ পড়ে যায় তখন বিল্ডিং পড়ে যায় অর্থাৎ নামায সেই মহান ইবাদত যেটা আমাদের ভিতর ঈমানকে মজবুত করে রাখে । আল্লাহ না করুক যদি নামাযে অলসতা শুরু হয়ে যায় তবে দূরে নয় যে, আমাদের অন্তর থেকে ঈমানের নূরও বের হয়ে যাবে। এজন্য নামাযে কখনো অলসতা করবেন না।
আ’লা হযরত ইমামে আহলে সুন্নাত ইমাম আহমদ রযা খাঁনرَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ লিখেন: যে ব্যাক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে এক ওয়াক্ত নামাযও ছেড়ে দিল, তবে সে হাজার বছর জাহান্নামে থাকার হকদার হল, যতক্ষণ না তাওবা করবে এবং সেটার কাযা আদায় না করে।
(ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ৯ম খন্ড , পৃ:১৫৮)
কুরআনুল কারীমের ১৬ পারার সূরা মরিয়মের ৫৯ নং আয়াতে ইরশাদ করেন: