Share this link via
Personality Websites!
প্রিয় নবীর দরবার হলো সবচেয়ে বড় দানশীল দরবার। এখানে কিছু চাইতে গেলে সংকোচ করতে হয় না, লজ্জা পেতে হয় না, এই ভয় হয় না যে, ওই জিনিস চাইলে পাবো কিনা, বরং
দেখুন! হযরত রাবিয়া رَضِیَ اللهُ عَنْہُ চেয়েছিলেন, বিনা সংকোচে চেয়েছিলেন এবং কী কী চেয়েছিলেন? ঈমানের উপর মৃত্যু (কেননা যার মৃত্যু ঈমানের উপর হয়নি, সে জান্নাতে যেতেই পারবে না), নেকী করার তৌফিক চাইলেন (কেনান জান্নাতে প্রবেশাধিকার আল্লাহ পাকের রহমতেই অর্জিত হয়, কিন্তু সেখানে উচ্চ মর্যাদা নেক আমলের ভিত্তিতে অর্জিত হয়), কিয়ামতের দিনে আমলের গ্রহণযোগ্যতা চাইলেন (কারণ যার আমল গ্রহণযোগ্য হবে না, প্রত্যাখ্যান করা হবে, সে জান্নাতে উচ্চ মর্যাদা কীভাবে পাবে), এরপর জান্নাতে খুবই উচ্চ মর্যাদাও চাইলেন এবং নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এসব কিছু তাঁর সাহাবী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ কে প্রদান করে দিলেন। এ থেকে জানতে পারলাম যে, আমরাও নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর নিকট ঈমান, সম্পদ, সন্তান, সম্মান, জান্নাত সবকিছু চাইতে পারি, এই চাওয়া হল সাহাবীদের সুন্নাত। (মিরাতুল মানাজিহ, ২/৮৪)
চাওয়ার ক্ষেত্রে বিচক্ষণ হওয়া চাই
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আমরা প্রিয় নবীর দরবার থেকে যা ইচ্ছা চাইতে পারি এবং নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আমাদের তা দানও করে থাকেন কিন্তু বিচক্ষণতা এটাই যে, চাওয়ারও একটি ধরন রয়েছে, মানুষকে চাইতেও জানতে হবে। নিঃসন্দেহে আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর নিকট দ্বীন ও দুনিয়ার সমস্ত কল্যাণ চাইতে পারি কিন্তু আপনি নিজেই ভাবুন, মদীনায় হাজির হয়েছেন, সোনালী জালির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন এবং ছোট খাটো কিছু চাইলেন, ভালো লাগবে? দরবার যখন বড় তখন
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami