Share this link via
Personality Websites!
বুখারী শরীফের হাদীসে পাকে শুধু একজন এতিমের লালন-পালনেও এই সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে। তবে! এই বর্ণনায় সামান্য পার্থক্য এটা রয়েছে যে, যখন নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم তাঁর শাহাদাত ও মধ্যম আঙুল দিয়ে ইশারা করেছিলেন, তখন উভয় আঙুলের মাঝে কিছুটা দূরত্ব রেখেছিলেন। (বুখারী, পৃষ্ঠা: ১৩৬১, হাদীস: ৫৩০৪)
سُبْحٰنَ الله! প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! কেমন শান!! এতিম শিশুদের লালন-পালন করুন! তাদের দেখাশোনা করুন! اِنْ شَآءَ الله জান্নাতে নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর প্রতিবেশীত্ব নসীব হবে। যদি আমরা একটু মনযোগ দিই তাহলে আমাদের বংশে, দুরের ও কাছের আত্মীয়-স্বজন, পাড়া মহল্লায় এতিম শিশু সাধারণত থাকেই, তাদের মধ্যে কোন একজন বা আল্লাহ পাক যাদের সামর্থ্য দিয়েছে তারা ২, ৪, ১০ জন শিশুর ব্যয়ভার (Expense) নিজের দায়িত্বে নিয়ে নিন! মাসিক খরচ (Monthly Expense), জুতা কাপড়, ঈদের সময় কিছু শপিং ইত্যাদি করে দিতে থাকুন! اِنْ شَآءَ الله রুজিতে বরকতও হবে, সাওয়াব লাভ হবে এবং আল্লাহ পাক যদি চান তবে জান্নাতে প্রিয় নবী রাসূলে আরবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর প্রতিবেশী হওয়ার হকদারও হয়ে যাবে।
اَلْحَمْدُ لِلّٰه আমীরে আহলে সুন্নাত মাওলানা মুহাম্মদ ইলইয়াস আত্তার কাদেরী دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ হলেন উম্মতের কল্যাণকামী, তিনি এতিম, মিসকীনদের খুবই ভালোবাসেন, তাদের সাথে সদাচরণ করতে থাকেন। আল্লাহ পাকের দয়ায় দাওয়াতে ইসলামী "মাদানী হোম" নামে এতিমখানাও বানাচ্ছে। এই মাদানী হোমে এতিমদের লালন-পালন করা হবে, তাদের উত্তম শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে এবং তাদের জন্য ভালো কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করা হবে। আপনিও এই নেক কাজে দাওয়াতে ইসলামীকে সহযোগিতা
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami