Book Name:Jannat Me Aqa Ka Parosi
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! এই ঈমান উদ্দীপক ঘটনাটি থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারি। যেমন একটি বিষয় শিখতে পারলাম যে, আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم হলেন পরিপূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী, তাঁকে ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে যে, যাকে ইচ্ছা, যখন ইচ্ছা, যেভাবে ইচ্ছা দান করতে পারেন। এ কারণেই তো নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم হযরত রাবিয়া رَضِیَ اللهُ عَنْہُ কে সাধারণভাবে (অর্থাৎ কোন ধরনের শর্ত ছাড়া) ইরশাদ করলেন: سَلْ অর্থাৎ চাও! কী চাওয়ার আছে? (অর্থাৎ হে রাবিয়া! কোন বাধা নেই *আমার নিকট দুনিয়া চাও * আখিরাত চাও * ধন-সম্পদ চাও * দীর্ঘ জীবন চাও * সুখ-শান্তি চাও * সম্মান ও মর্যাদা চাও * জান্নাত চাও *আল্লাহ পাকের নৈকট্য চাও, যাই চাইবে, পাবে)। নিঃসন্দেহে এমন উন্মুক্ত প্রস্তাব (Offer) তিনিই দিতে পারেন, যার নিকট পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে আর আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم হযরত রাবিয়া رَضِیَ اللهُ عَنْہُ কে যখন এই প্রস্তাব দিলেন, তখন এই বিষয়টি প্রমাণ করে যে, আল্লাহ পাক তাঁকে সর্বময় ক্ষমতা প্রদান করেছেন যে, যা ইচ্ছা,যাকে ইচ্ছা, যখন ইচ্ছা, যেভাবে ইচ্ছা দান করতে পারেন।
প্রিয় নবীর দরবারে কি চাওয়া যাবে
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! হযরত রাবিয়া رَضِیَ اللهُ عَنْہُ ঘটনাটির মাধ্যমে দ্বিতীয় এই বিষয়টি শিখলাম যে, প্রিয় নবীর দরবারে চাওয়ার ক্ষেত্রে লজ্জা, সংকোচ (Hesitation) করা উচিত নয়, এটি দুনিয়ার বাদশাহ এবং বড় ধনীদের নিকট হয়ে থাকে যে, যেখানে চাইতেও ভাবতে হয়, চাইতেও ভয় লাগে যে, কিছু চাইলাম, তা কি দিতে পারবে নাকি পারবে না, অমুক জিনিস চাইলে রেগে (Angry) যাবে না তো।