Share this link via
Personality Websites!
সাপ্তাহিক ইজতিমার হালকার শিডিউল ২০ নভেম্বর ২০২৫ইং
(১) সুন্নাত ও আদব শেখা: ৫ মিনিট, (২) দোয়া শেখা: ৫ মিনিট,
(৩) পর্যালোচনা: ৫ মিনিট। মোট সময়কাল- ১৫ মিনিট।
কবর ও দাফনের অবশিষ্ট মাদানী ফুল
কবর থেকে যে পরিমাণ মাটি বের হয়েছে, তার চেয়ে বেশি মাটি দেওয়া মাকরুহ। (ফতোওয়ায়ে হিন্দিয়া, ১/১৬৬) * কবর চৌকোনা (অর্থাৎ চার কোণবিশিষ্ট) না বানিয়ে তাতে ঢাল রাখবেন, যেমন উটের কুঁজ। (দাফনের পর) তাতে পানি ছিটানো উত্তম। কবর এক বিঘত উঁচু হবে অথবা সামান্য বেশি। (বাহারে শরীয়াত, ১/৮৪৬) * দাফনের পর কবরে আযান দেওয়া সাওয়াবের কাজ এবং মৃতের জন্য অত্যন্ত উপকারী। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ৯/৭০) * মুস্তাহাব হলো যে, দাফনের পর কবরে সূরা বাকারার প্রথম ও শেষ অংশ পড়া। মাথার দিকে الٓمّٓ থেকে مُفْلِحُوْن পর্যন্ত এবং পায়ের দিকে اٰمَنَ الرَّسُوۡلُ থেকে সূরার শেষ পর্যন্ত পড়া। (বাহারে শরীয়ত, ১/৮৪৬) * শাজারা বা আহদনামা কবরে রাখা জায়িয এবং উত্তম হলো মৃতের মুখের সামনে কিবলার দিকে একটি তাক বানিয়ে তাতে রাখা। বরং “দুররে মুখতার”-এ কাফনের উপর আহদনামা লেখাকে জায়িয বলা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, এতে মাগফিরাতের আশা করা যায়। * মৃতের বুক ও কপালে بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ লেখা জায়িয। এভাবেও হতে পারে যে, কপালে بِسْمِ اللهِ শরীফ এবং বুকে কলেমা তৈয়্যিবা لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْ لُ الله صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم লিখলেন। তবে গোসল করানোর পর কাফন পরানোর আগে শাহাদাত আঙুল দিয়ে লিখবেন, কালি (INK) দিয়ে লিখবেন না। (বাহারে শরীয়ত, ১/৮৪৮) * কবর থেকে মৃতের হাড়গোড় বাইরে বের হয়ে গেলে, সেই হাড়গোড় দাফন করা ওয়াজিব।
(ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ৯/৪০৬)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami