Share this link via
Personality Websites!
(২) (আল্লাহ পাক) হুযুর পুরনূর صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ এর হুকুম মানা ফরয নির্ধারিত করে দিয়েছেন এবং এই কথাকে নিজের রব হওয়ার শপথের সাথে (পাকা) দৃঢ় করেছেন।
(৩) আল্লাহ পাক হুযুর পুরনূর صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ এর হুকুম মানতে (অস্বীকার)কারীকে অমুসলিম সাব্যস্ত করেছেন।
(৪) নবী করীম صَلَّی
اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ এর হুকুম মন ও প্রাণ দিয়ে মানা জরুরী এবং এ ব্যাপারে অন্তরে কোনো দ্বিধা থাকা উচিত নয়। এজন্যই আয়াতের শেষে বলা হয়েছে যে, তারপর নিজেদের অন্তরে নবী করীম
صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ এর হুকুমের ব্যাপারে কোনো দ্বিধা যেন না পায় এবং মন ও প্রাণ দিয়ে যেন মেনে নেয়।
(৫) এ থেকে এটাও জানা গেল যে, ইসলামী আহকাম (বিধানাবলী) মানা ফরয এবং তা না মানা কুফরী, এছাড়াও এগুলোর উপর আপত্তি করা, এগুলোর ঠাট্টা-মশকরা করা কুফরী।
(তাফসীরে সীরাতুল জিনান, ২/২৩৯, ২৪০)
আল্লাহ চান প্রিয় নবীর সন্তুষ্টি
আসুন! একটি ঘটনা, একটি মুবারক আয়াত, তার শানে নুযূল এবং তাফসীরের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শুনি:
তাফসীরে সীরাতুল জিনানে উল্লেখ আছে: যখন আল্লাহ পাকের সর্বশেষ নবী صَلَّی
اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ মদীনা মুনাওয়ারায় তাশরীফ আনলেন, তখন তাঁকে বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামায পড়ার হুকুম দেওয়া হলো, নবী করীমصَلَّی
اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ আল্লাহ পাকের হুকুমের অনুসরণ করে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami