Share this link via
Personality Websites!
সেদিকে মুখ করে নামায পড়া শুরু করলেন, তবে হুযুর صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ এর পবিত্র হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষা ছিল যে, খানায়ে কা'বাকে যেন মুসলমানদের কিবলা বানিয়ে দেওয়া হয়।
একদিন নামাযরত অবস্থায় হুযুর পুরনূর صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ এই আশায় বারবার আসমানের দিকে তাকাচ্ছিলেন যে, কিবলা পরিবর্তনের হুকুম এসে যাবে, এর উপর নামাযের মধ্যেই এই আয়াতে করীমা নাযিল হলো, যেখানে নবী করীম صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ এর সন্তুষ্টিকে আল্লাহর সন্তুষ্টি স্থির করে দেওয়া হয়েছে এবং নবী করীম صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ এর চেহারায়ে আনোয়ারের সৌন্দয্য কুরআনে বর্ণনা করে তিনি صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ এর আকাঙ্ক্ষা ও খুশি অনুযায়ী খানায়ে কা'বাকে কিবলা বানিয়ে দেওয়া হলো। সুতরাং, নবী করীম صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ নামাযের মধ্যেই খানায়ে কা'বার দিকে ফিরে গেলেন, মুসলমানরাও প্রিয় নবীর صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ সাথে সেদিকে মুখ করলেন এবং যোহরের দুই রাকাত বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে এবং দুই রাকাত খানায়ে কা'বার দিকে মুখ করে আদায় করা হলো।
(তাফসীরে সীরাতুল জিনান, ১/২৩৩)
যে আয়াতে কারীমা নাযিল হয়েছিল, তা হলো:
قَدْ نَرٰى تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِی السَّمَآءِۚ-فَلَنُوَلِّیَنَّكَ قِبْلَةً تَرْضٰىهَا۪-فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِؕ-وَ حَیْثُ مَا كُنْتُمْ فَوَلُّوْا وُجُوْهَكُمْ شَطْرَهٗؕ
(পারা ২, বাকারা, আয়াত ১৪৪) কানযুল ঈমানের অনুবাদ: আমি লক্ষ্য করছি বারবার আপনার আসমানের দিকে তাকানো, সুতরাং অবশ্যই আমি আপনাকে ফিরিয়ে দেবো সেই কিবলার দিকে যাতে আপনার সন্তুষ্টি রয়েছে। এখনই আপনার মুখ ফিরিয়ে নিন মসজিদে হারামের দিকে এবং হে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami