Share this link via
Personality Websites!
কখনও তৃষ্ণার্ত হবে না, হুযুর পুরনূর صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ তা থেকে তাঁর উম্মতকে পরিতৃপ্ত করাবেন। (কিতাবুল আকাইদ, পৃষ্ঠা ৩৬)
কিয়ামতের দিন যখন নফসী নফসী (শুধু নিজের চিন্তা) এর অবস্থা হবে এবং গরমের তীব্রতায় মানুষের জিহ্বা শুকিয়ে কাঁটা হয়ে যাবে, সেই সময় ঐসকল লোকেরা সৌভাগ্যবান হবে, যাদেরকে আল্লাহ পাক তাঁর প্রিয় হাবীব صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ এর হাউযে কাওসার থেকে পরিতৃপ্ত করাবেন। হাদীসসমূহে এমন নেক আমলের বর্ণনা রয়েছে যার বরকতে কাওসারের পানি নসীব হবে, সেই বর্ণনা গুলোর সারমর্ম হলো:* * কাওসারের পানি সে পাবে, যে দরূদ এর আধিক্য করবে।* * কাওসারের পানি সে পাবে, যে রোযাদারকে ইফতার করাবে।* * কাওসারের পানি সে পাবে, যে অপ্রয়োজনীয় কথা থেকে বিরত থাকবে।* * কাওসারের পানি সে পাবে যে আল্লাহর পথের মুসাফিরদের পানি পান করাবেন। (মাসিক ফয়যানে মদীনা, সফরুল মুযাফফর ১৪৪১ হিঃ, পৃষ্ঠা ২১)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
আমরা কুরআনে করীমে বর্ণিত হুযুর পুরনূর صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ এর প্রশংসা ও গুণাবলী সম্পর্কে শুনছিলাম, আল্লাহ পাক তাঁর পবিত্র কালামে তাঁর প্রিয় হাবীবের নানানভাবে প্রশংসা করেছেন, কোথাও তো অনেক আয়াতে হুযুর আনোয়ার صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ এর প্রশংসা বিদ্যমান, আবার কোথাও পুরো সূরাই হাবীব صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمَ এর গুণাবলী বর্ণনা করতে দেখা যায়, কোথাও হাবীবের পদধূলির শপথ করা হয়েছে, তো কোথাও হাবীবের পবিত্র শহরের শপথ! কোথাও হাবীবের সাথে সম্পর্কিত জিনিসের মর্যাদা
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami