Share this link via
Personality Websites!
জানা গেল, কুরআন করীমের নাযিলের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য এটাও যে, এর মাধ্যমে সমাজের (Society) ব্যক্তিদের অন্ধকার থেকে বের করে আলো ও উজ্জ্বলতায় নিয়ে আসা হবে, যারা কুফরের অন্ধকারে ঘুরে বেড়াচ্ছে, তাদের ঈমানের আলোর দিকে আনা হবে। * যারা গুনাহের অন্ধকারে রয়েছে, তাদের নেকীর আলোর দিকে আনা হবে।
* যারা অজ্ঞতার অন্ধকারে রয়েছে, তাদের দ্বীনি ইলমের আলো দ্বারা সজ্জিত করা হবে। * যারা দুশ্চরিত্র ও মন্দ আচরণের অন্ধকারে রয়েছে, তাদের উত্তম চরিত্র ও আচরণের আলোর দিকে আনা হবে। * যারা নফসের চাহিদার অনুসারী, তাদের আনুগত্য ও ইবাদতের আলোর দিকে আনা হবে। * যারা দুনিয়ার ভালোবাসা ও সম্পদের লালসার অন্ধকারে রয়েছে, তাদের আখিরাতের চিন্তার আলো দ্বারা সজ্জিত করা হবে। মোটকথা, সমাজের প্রত্যেক ব্যক্তি যে কোনো ধরনের অন্ধকারে রয়েছে, তাকে অন্ধকার থেকে বের করে আলো ও উজ্জ্বলতা প্রদান করা, এটি কুরআন নাযিলের গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক উদ্দেশ্য। (তাফসীরে খাযিন, পারা: ১৩, সূরা ইবরাহীম, ১ নং আয়াতের পাদটীকা, ৩/২৭)
দাওয়াতে ইসলামী এবং সমাজের সংস্কার
আজকের যুগ কিয়ামতের নিকটবর্তী যুগ, কিয়ামতের অনেক নিদর্শন পূরণ হতে চলেছে, সবদিকে ফিতনা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, (নির্লজ্জতা) বেড়েই চলেছে, গুনাহের বন্যা বয়ে যাচ্ছে, এমন পরিস্থিতিতে দাওয়াতে ইসলামী اَلْحَمْدُ
لِلّٰه আলোর রশ্মি ছড়াচ্ছে, * দাওয়াতে ইসলামী ফিতনায় ভরা এই যুগে আলো বিতরণ করছে। * দাওয়াতে ইসলামী নেকীর দাওয়াত ব্যাপক করছে, মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখছে।
* দাওয়াতে ইসলামী অমুসলিমদের ইসলামের দাওয়াত দিচ্ছে,
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami