Share this link via
Personality Websites!
(কর্মকৌশল) সহকারে এক অপরকে নেকীর দা’ওয়াত দিতে থাকি, তবে, اِنْ شَآءَ الله ভুল ত্রুটি ও গুনাহের পরিমাণ কমে যাবে।
আ’লা হযরত নিঃসংকোচে নেকীর দাওয়াত দিলেন
اَلْحَمْدُ لِلّٰه আমাদের আক্বা আ’লা হযরত, ইমামে আহলে সুন্নাত
رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ আপদমস্তক মুবাল্লিগ ছিলেন। তাঁর পুরো জীবন উম্মতের সংশোধনের কাজে কেটেছে । দিন হোক বা রাত, ঘরে কিংবা বাইরে, তিনি লিখে, মুখে বলে, বক্তব্য দিয়ে নেকীর দাওয়াত প্রচার করতেন। এমনকি, দেকীর দাওয়াত দেয়া, মন্দ বিষয় থেকে বাধা দান করা আ’লা হযরত رَحْمَۃُ
اللهِ عَلَیْہِ এর স্বভাবের অংশ হয়ে গিয়েছিলো। সায়্যিদী আ’লা হযরত رَحْمَۃُ
اللهِ عَلَیْہِ এর দ্বিতীয় হজ্বের ঘটনা। সে দিন ছিলো জুমার দিন, আ’লা হযরত رَحْمَۃُ
اللهِ عَلَیْہِ জুমার নামায পড়ার জন্য এক মসজিদে গেলেন। ওখানকার খতীব সাহেব খুতবায় এমন একটি কথা বললেন যা শরয়ীভাবে সঠিক ছিলো না।নিজের শহর কিংবা নিজের দেশও ছিলো না; আবার মসজিদ, ভরা মজলিশ, খতীব সাহেব খুতবাও পড়ছেন। খতীবেরও তো নিজের প্রভাব বলতে কিছু থাকে। এমন অবস্থায় মানুষ সংকোচ করে, অনেক সময় ভয়ও হয় যে যদি ভরা মজলিসে আওয়াজ করি, না জানি লোকজন আমার সাথে কী আচরণ করে বসে? কিন্তু কুরবান হয়ে যান! আ’লা হযরত رَحْمَۃُ
اللهِ عَلَیْہِ এর স্বভাব ছিলো এমন যে, মন্দ কিছু দেখলে তা সংশোধন না করে বসে থাকা তিনি পছন্দ করতেন না। সুতরাং যখনই খতীব সাহেব শরীয়ত পরিপন্থী মন্তব্য করলেন, সায়্যিদী আ’লা হযরত
رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ মুখ মুবারক থেকে উঁচু আওয়াজে নিঃসংকোচে উচ্চারিত হলো- اَللّٰہُمَّ
هٰذَا مُنْکَر হে আল্লাহ, এটা মন্দ।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami