Share this link via
Personality Websites!
আগের যুগে আউলিয়ায়ে কেরাম মাদরাসা বা ইবাদতগাহ তৈরি করতেন, যেখানে থেকে তাঁরা তাঁদের মুরিদদের প্রশিক্ষণ দিতেন। সম্ভবত একারণেই দাতা হুযুর رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ রাত কাটানোর জন্য সেই খানকাতে গমন করেছিলেন, কিন্তু এখানকার অবস্থা ছিল ভিন্ন। এই খানকায় যারা থাকত তারা ইবাদতকারী ও আলেম ছিল না, বরং অজ্ঞ ও দুঃশ্চরিত্রবান ছিল। হযরত দাতা গঞ্জেবখশ আলী হাজবেরী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: সাধারণ মুসাফিরদের মতো আমার কাছে কোনো মালামাল ছিল না, শরীরে খসখসে পোশাক ছিল, হাতে লাঠি এবং ওযুর জন্য পাত্র ছিল। আমার এই অবস্থা দেখে তারা আমার সাথে হাসি-ঠাট্টা করল। রাত হয়ে গিয়েছিল এবং সেখানে রাত কাটানো জরুরি ছিল, তাই জায়গা না থাকা সত্ত্বেও আমি সেই খানকায় রয়ে গেলাম। তারা আমাকে নিচতলায় থাকতে দিল এবং নিজেরা উপরের তলায় চলে গেল। খাওয়ার সময় হলে তারা মেহমানদারির আদবের প্রতি কোনো খেয়াল রাখল না, আমাকে ছত্রাক পড়া শুকনো রুটি দিল এবং নিজেরা সুস্বাদু খাবার খেতে লাগল, পাশাপাশি আমাকে নিয়ে ঠাট্টাও করতে লাগল। খাওয়ার পর তারা তরমুজ খেল এবং ডিমের খোসা আমার দিকে ছুঁড়ে মারল। মোটকথা, যতদূর সম্ভব তারা আমাকে কষ্ট দিল, আমাকে অপমান করল, আমি ধৈর্যের সাথে এই সবই সহ্য করতে থাকলাম। ব্যস শুধু তাদের এই আচরণের উপর ধৈর্য ধরার বরকতে আল্লাহ পাক আমার সমস্যা সমাধান করে দিলেন। (কাশফুল মাহজুব, পৃষ্ঠা: ১০০)
অজ্ঞদের অজ্ঞতার উপর ধৈর্যধারণও একটি আদব
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! অজ্ঞদের অজ্ঞতাপূর্ণ কথার উপর ধৈর্যধারণ করাও জীবনের আদবের মধ্যে একটি আদব। আমাদের প্রায়ই এমন
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami