Share this link via
Personality Websites!
আদব করে না, সে অন্যদেরও আদব করতে পারে না। লোকেরা আমাদের বাহ্যিক চেহারা দেখে আমাদের ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা লাভ করে। যে লোকেরা তাদের স্বাস্থ্য, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদির খেয়াল রাখে না, তাদেরকে অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং অলস মনে করা হয়।
তাই আমাদের উচিত নিজেদের গুরুত্ব দেয়া, এমন কোনো পোশাক বা আচরণ গ্রহণ না করা যা শরীয়ত বিরোধী, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, নিজেদের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখা। আল্লাহ পাক আমাদের আমল করার তৌফিক দান করুক। اٰمِیْن بِجَاہِ النَّبِیِّ الْاَمِیْن صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلہٖ وَسَلَّم
(৩): জীবনের বিভিন্ন আদব
দাতা হুযুর رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: আদবের তৃতীয় প্রকার হলো: মানুষের সাথে মেলামেশা ও ওঠাবসার সময় তাদের আদবের খেয়াল রাখা।
এই স্থানে দাতা হুযুর رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ জীবনের বিভিন্ন আদব বর্ণনা করেছেন। আসুন! এর মধ্যে কয়েকটি শুনি:
মানুষের সাথে মেলামেশা এবং সম্পর্ক রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, মানুষ সবসময় নেক সঙ্গ অবলম্বন করবে, খারাপ সঙ্গ থেকে সর্বদা দূরে থাকবে। দাতা হুযুর رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: নফসের অভ্যাস হলো, সে তার সঙ্গীদের থেকে আরাম পায়, যে ধরনের মানুষের সঙ্গে বসে, তাদেরই অভ্যাস গ্রহণ করে। একারণে মাশায়েখ (অর্থাৎ আউলিয়ায়ে কেরাম) সবার আগে বন্ধুত্বের হকের প্রতি মনোযোগ দেন এবং
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami