Share this link via
Personality Websites!
মুরিদদেরও এরই উৎসাহ দেন। এমনকি মাশায়েখের কাছে বন্ধুত্বের আদব শেখা এবং এর উপর আমল করা ফরযের মর্যাদা রাখে। (কাশফুল মাহজুব, পৃষ্ঠা: ৪৯৯)
হাদীস পাকে আছে: الرَّجُلُ عَلَى دِینِ خَلِيلِهِ، فَلْيَنْظُرُ أَحَدُكُمْ مَنْ يُخَالِلُ মানুষ তার বন্ধুর দ্বীনের উপর থাকে, তাই তোমাদের প্রত্যেকের দেখা উচিত যে, সে কার সাথে বন্ধুত্ব করছে। (তিরমিযী, কিতাবুয যুহদ, পৃষ্ঠা: ৫৬৬, হাদীস: ২৩৭৮)
নিজের জন্য দোয়া কেন চান না...?
‘কাশফুল মাহজুব’-এ হযরত দাতা গঞ্জেবখশ رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ লিখেন: এক ব্যক্তি তাওয়াফের সময় শুধু এই দোয়া করছিল: اللّٰهُمَّ اَصْلِحْ إِخْوَانِی হে আল্লাহ পাক! আমার বন্ধুদেরকে নেককার বানিয়ে দাও। কেউ তাকে জিজ্ঞাসা করল: এই স্থানে তুমি নিজের জন্য দোয়া কেন করছ না? শুধু বন্ধুদের জন্যই কেন দোয়া করছ? সেই ব্যক্তি খুব চমৎকার উত্তর দিল, বলল: আমি তো ফিরে আমার বন্ধুদের কাছেই যাব। যদি তারা নেককার হয়, তবে আমিও নেককার হয়ে যাব, আর যদি তারা খারাপ হয়, তবে তাদের মন্দ স্বভাব আমার কাছেও পৌঁছাবে। তাই আমি আমার বন্ধুদের জন্য দোয়া করছি। (কাশফুল মাহজুব, পৃষ্ঠা: ৪৯৯)
জীবনের বিভিন্ন আদবের মধ্যে মেহমানদারির আদবও রয়েছে। দাতা হুযুর رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: মেহমানদারির আদবের মধ্যে একটি হলো, যখন কোনো মুসাফির আসে, তখন খুশি হওয়া। তার সম্মান করা, আদব ও সম্মানের সহিত তাকে স্বাগত জানানো। আল্লাহ পাকের নবী হযরত
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami