Share this link via
Personality Websites!
মাজার শরীফে উপস্থিত হয়েছিলাম, যার বরকতে আমার সমস্যা সমাধান হয়ে গিয়েছিল। এবার যখন সমস্যা দেখা দিল, তখন আমি আবার হযরত বায়েজিদ বোস্তামী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর নূরানী মাজারে হাজির হলাম, ৩ মাস পর্যন্ত মাজার শরীফে উপস্থিত থাকলাম, প্রতিদিন ৩ বার গোসল এবং ৩০ বার ওযু করতাম (অর্থাৎ পবিত্রতা ও আদবের সম্পূর্ণ খেয়াল রাখতাম) কিন্তু আমার সমস্যার সমাধান হলো না (কুদরতের এটাই হয়তো মঞ্জুর ছিল যে, এবার ওলীর মাজারে হাজির হয়ে নয়, বরং অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে)।
তিনি বলেন: যখন দুশ্চিন্তা দূর হলো না, তখন আমি খুরাসান যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। খুরাসান যাওয়ার পথে একটি গ্রামে পৌঁছালাম, সেখানে একটি খানকা দেখতে পেলাম।
আগের যুগে আউলিয়ায়ে কেরাম মাদরাসা বা ইবাদতগাহ তৈরি করতেন, যেখানে থেকে তাঁরা তাঁদের মুরিদদের প্রশিক্ষণ দিতেন। সম্ভবত একারণেই দাতা হুযুর رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ রাত কাটানোর জন্য সেই খানকাতে গমন করেছিলেন, কিন্তু এখানকার অবস্থা ছিল ভিন্ন। এই খানকায় যারা থাকত তারা ইবাদতকারী ও আলেম ছিল না, বরং অজ্ঞ ও দুঃশ্চরিত্রবান ছিল। হযরত দাতা গঞ্জেবখশ আলী হাজবেরী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: সাধারণ মুসাফিরদের মতো আমার কাছে কোনো মালামাল ছিল না, শরীরে খসখসে পোশাক ছিল, হাতে লাঠি এবং ওযুর জন্য পাত্র ছিল। আমার এই অবস্থা দেখে তারা আমার সাথে হাসি-ঠাট্টা করল। রাত হয়ে গিয়েছিল এবং সেখানে রাত কাটানো জরুরি ছিল, তাই জায়গা না থাকা সত্ত্বেও আমি সেই খানকায় রয়ে গেলাম। তারা আমাকে নিচতলায় থাকতে দিল এবং নিজেরা উপরের তলায় চলে গেল। খাওয়ার সময় হলে তারা মেহমানদারির আদবের প্রতি কোনো
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami