Share this link via
Personality Websites!
আদব হলো প্রথম শর্ত
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আদব হলো বন্দেগীর মূল। হযরত মূসা عَلَیْہِ السَّلَام যখন তূর পর্বতে উপস্থিত হলেন, তখন আল্লাহ পাক তাঁর সাথে প্রথম যে কথাটি ইরশাদ করেন:
اِنِّیْۤ اَنَا رَبُّكَ فَاخْلَعْ نَعْلَیْكَۚ-اِنَّكَ بِالْوَادِ الْمُقَدَّسِ طُوًىؕ(۱۲)
(পারা ১৬, সূরা ত্বহা, আয়াত ১২) কানযুল ঈমানের অনুবাদ: নিশ্চয় আমি তোমার রব। সুতরাং তুমি আপন জুতা খুলে ফেলো; নিশ্চয় তুমি পবিত্র উপত্যকা ‘তুওয়া’ এর মধ্যে এসেছো।
মুফাসসিরীনে কেরাম বলেন: আল্লাহ পাক হযরত মূসা عَلَیْہِ السَّلَام কে নালাঈন শরীফ (অর্থাৎ জুতো মোবারক) খোলার আদেশ দিয়েছিলেন, এর একটি কারণ ছিল যে, বাদশাহদের দরবারে জুতো খুলে উপস্থিত হওয়া আদব এবং আল্লাহ পাক তো আহকামুল হাকিমিন। হযরত মূসা عَلَیْہِ السَّلَام কায়েনাতের সৃষ্টিকর্তার সামনে উপস্থিত হয়েছেন এবং উপত্যকাটিও পবিত্র। তাই আদেশ হলো যে, হে মূসা عَلَیْہِ السَّلَام! আপনার দয়ালূ প্রতিপালকের এবং এই বরকতময় উপত্যকার আদবে জুতো শরীফ খুলে ফেলুন!
اَللهُ اَكْبَرُ হে আশিকানে রাসূল! এর থেকে আদবের গুরুত্ব অনুমান করুন! জানা গেল যে, আদব হলো বন্দেগীর প্রথম শর্ত, এর মাধ্যমেই মানুষ উচ্চ মর্যাদায় পৌঁছতে পারে। হযরত জালাল বসরী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: ঈমানের দাবি হলো যে, বান্দা শরীয়তের উপর আমল করবে, সুতরাং যে শরীয়ত জানে না, সে (কামিল) ঈমানওয়ালা হতে পারে না এবং শরীয়ত আদব শেখায়। সুতরাং যে আদব জানে না, তার ঈমানও (কামিল) নয়, সে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami