Share this link via
Personality Websites!
মোটকথা যাকে যাই দান করা হয়েছে, তাকে পরিপূর্ণই দান করেছেন। (আনওয়ারূল কুদসিয়া ফি বয়ান আদাবুল উবুদিয়া, ৩০ পৃষ্ঠা)
একে এভাবে বুঝে নিন যে আল্লাহ পাকের দরবার থেকে যার যা কিছু মিলেছে তা ১০০ পার্সেন্টই মিলেছে, কাউকেই কম দেয়া হয়নি। হ্যাঁ! যার যার ১০০ পার্সেন্ট তার যোগ্যতা ও শক্তি অনুযায়ী। উদাহরণস্বরূপ একটি নার্সারি ক্লাসের শিক্ষার্থী, তাকে যদি নার্সারিতে ১০০ পার্সেন্ট নাম্বার দেয়া হয় তবে সে কোন ক্লাসে উত্তীর্ণ হবে? ওয়ানে। তেমনিভাবে একজন B.A এর শিক্ষার্থী, তাকে ১০০ পার্সেন্ট নাম্বার দেয়া হয়, সে কোন ক্লাসে উঠবে? M.A তে। তো, এই পার্থক্য কেনো? উভয়ে ১০০ পার্সেন্ট নাম্বার পেয়েছে অথচ একজন ওয়ানে আর অন্যজন M.A তে, কেনো? একদম স্পষ্ট কথা, নাম্বার যদিওবা উভয়ে সমান (অর্থাৎ ১০০ পার্সেন্ট) পেয়েছে কিন্তু উভয়ের যোগ্যতা ভিন্ন ছিলো, উভয়ের সামর্থ্য ছিলো আলাদা। য়দি নার্সারির শিক্ষার্থী ১০০ পার্সেন্ট নাম্বার পাওয়ার কারণে M.A তে বসিয়ে দেয়া হতো অথবা B.A এর শিক্ষার্থীর ১০০ পার্সেন্ট নাম্বার পাওয়ার কারণে ওয়ানে বসিয়ে দেয়া হতো তাহলে উভয়ে নিজেদের মূল্য হারাতো, উভয়ে ভারসাম্যহীন হয়ে যেতো।
একইভাবে দুনিয়াতে আল্লাহ পাক প্রত্যেককেই পূর্ণতাই দান করেছেন। যে ধনী, তারও ১০০ পার্সেন্ট মিলেছে আর যে গরীব তারও ১০০ পার্সেন্টই মিলেছে। অবশ্য এক একজনের কর্মদক্ষদতা আলাদা, এক একজনের সামর্থ্য এক এক রকম। যদি গরীব ব্যক্তিকে ১৫০ পার্সেন্ট দিয়ে তাকে ধনী করে দেয়া হতো অথবা ধনী লোককে ৫০ পার্সেন্ট দেয়া হতো তাহলে উভয়ে নিজেদের মূল্য হারিয়ে ফেলতো, উভয়ে ভারসাম্যহীন হয়ে যেতো কিন্তু কুরবান হয়ে যান! আল্লাহ পাক বিশ্ব জাহানের প্রতিপালক, তিনি প্রত্যেককে ১০০ পার্সেন্টই দান করেছেন আর যাকে যা কিছু দান করেছেন, তার জন্য তাই হলো পরিপূর্ণতা।
হাদীসে কুদসিতে রয়েছে, আল্লাহ পাক বলেন: আমার কিছু বান্দা রয়েছে যাদের জন্য দরিদ্রতাই উত্তম, যদি আমি তাদেরকে ধনী বানাতাম তাহলে তাদের অবস্থা খারাপ হয়ে যেতো আর কিছু বান্দা হলো তারা, যাদের জন্য ধনী হওয়া উত্তম, যদি আমি তাদেরকে গরীব বানাতাম তাহলে তাদের অবস্থা খারাপ হয়ে যেতো।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami