Share this link via
Personality Websites!
এ নেক আমল সম্পর্কে আমীরে আহলে সুন্নাত دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ তাঁর রিসালা, “নেক আমল পুস্তিকায়” বলেন: কেবল এই নেক আমলের উপর যদি কেউ প্রকৃত অর্থে যত্নবান হয়ে যায় তাহলে তার তরী পার হয়ে যাবে।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! এতে কোন সন্দেহ নেই যে আজ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির খাতটি উন্নয়ন ও শীর্ষে (Peak) রয়েছে এবং আগত দিনে নিত্য নতুন বিশেষজ্ঞ ও আবিষ্কারক সৃষ্টি হচ্ছে, এমনকি নিত্য নতুন যন্ত্রের সাহায্যে লক্ষ, কোটি, মিলিয়ন, বরং অসংখ্য বস্তুর হিসাব-নিকাশ সহজে করে নিচ্ছে, কিন্তু কুরবান হয়ে যান যে এত উন্নতীর সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত এমন কোন যন্ত্র আবিষ্কার করতে পারেনি, যেটা আল্লাহ পাকের নিয়ামত সমূহ গণনা করতে পারবে, আল্লাহ পাকের নিয়ামত অগনিত, যা আজ পর্যন্ত না কেউ গণনা করতে পারছে আর না ভবিষ্যতেও কেউ গণনা করতে পারবে।
১৪ পারা সূরা নাহল আয়াত ১৮ তে আল্লাহ পাক আপন নিয়ামত সম্পর্কে ইরশাদ করেন:
وَ اِنۡ تَعُدُّوۡا نِعۡمَۃَ اللّٰہِ لَا تُحۡصُوۡہَا
(পারা ৪, নাহল: ১৪)
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: আর যদি আল্লাহর অনুগ্রহ সমূহ গণনা করো, তবে সেগুলোর সংখ্যা নির্ণয় করতে পারবে না।
তাফসীরে সিরাতুল জিনানে এই পবিত্র আয়াতের ব্যাখ্যায় লিখেন যে বান্দার সৃষ্টিতে আল্লাহ পাকের যতো নিয়ামতসমূহ রয়েছে, যেমন সুস্থ শরীর, রোগ থেকে সূরক্ষিত একটি শরীর, সুস্থ চোখ, প্রশান্তিময় আকল, এমন শ্রবণশক্তি যা বস্তুসমূহ বুঝতে সাহায্য করে, হাত দ্বারা স্পর্শ করা, পা দিয়ে চলা ইত্যাদি যতো নিয়ামত বান্দাকে দান করেছে, যেমন বান্দাদের দ্বীনি ও দুনিয়াবী প্রয়োজন পূরণ করার জন্য সমস্ত জিনিস সৃষ্টি করা হয়েছে, এগুলো এত অধিক যে এগুলো গণনা (Counting) করা সম্ভবই না এমনকি যদি কেউ আল্লাহ পাকের ছোট্ট নিয়ামতের জ্ঞান অর্জন করতে চেষ্টা করে তো সেটা সে অর্জন করতে পারবে না তাহলে ঐসব নিয়ামত সমূহের ব্যাপারে কি বলবেন যা সমস্ত সৃষ্টি একসাথে মিলেমিশেও গণনা করতে পারবে না, এই জন্য আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন: যদি
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami