Share this link via
Personality Websites!
কাজ সম্পন্ন করে তখন আল্লাহ পাক সেই নিয়ামতকে তার থেকে অবশ্যই বিলুপ্ত করে দেন। (দ্বীন ও দুনিয়াকী আনুকীহ বাতে, ৫১৬)
হযরত কা’ব رَضِیَ اللهُ عَنْہُ বলেন: আল্লাহ পাক দুনিয়াতে কোন বান্দাকে নিয়ামত দান করে অতঃপর সে ঐ নিয়ামতের জন্য আল্লাহ পাকের কৃতজ্ঞতা আদায় করে আর সেই নিয়ামতের কারণে আল্লাহ পাকের জন্য বিনীত করে তখন আল্লাহ পাক তাকে দুনিয়াতে এই নিয়ামত দ্বারা উপকৃত করেন এবং এর কারণে তার পরকালে মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন আর যাকে আল্লাহ পাক দুনিয়াতে নিয়ামত দান করেছেন এবং সে শুকরিয়া আদায় করলো না আর না সে আল্লাহ পাকের জন্য বিনীত করলো তখন আল্লাহ পাক দুনিয়াতে এই নিয়ামতের উপকারীতা তার থেকে বন্ধ করে দেন আর তার জন্য জাহান্নামের একটি দরজা খুলে দেন, অতঃপর যদি আল্লাহ পাক চান তাকে পরকালে আযাব দিবেন কিংবা তাকে ক্ষমা করে দিবে। (রসায়িল ইবনে আবিদ দুনিয়া, ৩/৫৫৫, ৯৩)
اَلْحَمْدُ لِلّٰه দাওয়াতে ইসলামীর ৮০টি বিভাগের মধ্যে হতে একটি অন্যতম বিভাগ “নেক আমল”ও রয়েছে। শায়খে তরিকত আমীরে আহলে সুন্নাত دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ ’র আকাঙ্খা আনুযায়ী ইসলামী ভাইয়েরা, ইসলামী বোনেরা ও জামিয়াতুল মদীনার শিক্ষার্থীদের আমলদার বানানোর জন্য, “নেক আমল সমূহের উপর” আমলের উৎসাহ প্রদানের জন্য, “নেক আমল বিভাগ” গঠন করা হয়েছে। আমীরে আহলে সুন্নাত دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ বলেন: হায়! অন্যান্য ফরয সমূহ ও সুন্নাত পালনের সাথে সাথে সকল ইসলামী ভাই ও ইসলামী বোন এই নেক আমলকেও নিজের জীবনের সংবিধান বানিয়ে নিতো ও দা’ওয়াতে ইসলামীর সকল দায়িত্বশীল ইসলামী ভাইয়েরাও নিজ নিজ হালকাতে (এ নেক আমলের রিসালাকে) ব্যাপকভাবে প্রচার ও প্রসার করতো এবং প্রত্যেক মুসলমান নিজ কবর ও আখিরাতের কল্যাণের জন্য এ নেক আমলকে একনিষ্ঠতার সাথে গ্রহণ করে আল্লাহর দয়া ও বদান্যতায় জান্নাতুল ফেরদৌসে নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ’র প্রতিবেশি হওয়ার মহান নিয়ামত অর্জন করে নিতো। আসুন! আমরাও নেকীর কাজে সামনে অগ্রসর হয়ে অংশ গ্রহণ করি এবং নেক আমলের উপর, না কেবল নিজে আমল করবো বরং অন্যান্য ইসলামী ভাইদেরকে এর প্রতি উৎসাহ প্রদান করে সাওয়াব অর্জন করি।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami