Share this link via
Personality Websites!
নেয়া, আর যা থেকে নিষেধ করা হয়েছে, তা থেকে বিরত থাকা। (ফয়যুল কাদীর, হুরুফুল আইন, ৪/৩৯৯ হাদীসের ব্যাখ্যা: ৫৩৮২)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! যদি আমরা নিজেদের ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করি তাহলে এর সত্যটা স্পষ্ট হয়ে আমাদের সামনে চলে আসবে কারণ আমাদের সম্পূর্ণ শরীরই আল্লাহ পাকের অগণিত প্রদত্ত নিয়ামতের সমাহার যেমন আমাদের জীবন বাঁচানোর জন্য জন্য শ্বাস, হাটার জন্য পা, ধরার জন্য হাত, দেখার জন্য চোখ, শুনার জন্য কান, সুগ্রাণ নেয়ার জন্য নাক, বলার জন্য জিহ্বা, খাবার হজম করার জন্য নাড়ি-ভূড়িসহ কতো নিয়ামত দ্বারা ধন্য করেছেন, তাছাড়া না জানি আরো কেমন কেমন অগণিত ও অসংখ্য নিয়ামত রয়েছে, যা থেকে আমরা রাত-দিন উপভোগ করছি কিন্তু প্রশ্ন এটা আসে যে আমরা কি কখনো এই নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে সেগুলোর হক আদায় করার চেষ্টা করেছি নাকি مَعَاذَ الله এগুলোকে আমরা আল্লাহ পাকের নাফরমানিমূলক কাজে ব্যবহার করে মহান পরাক্রমশালী ও আযাবে জব্বারের হকদার হচ্ছি? মনে রাখবেন! যেসব গোত্র আরাম আয়েশে মগ্ন হয়ে আল্লাহ পাকের নাফরমানী করে তারা ধ্বংসের গুহায় পতিত হয়েছে।
তাফসীরে “সিরাতুল জীনান” ৪র্থ খন্ড ২৭ পৃষ্ঠায় কিছুটা এভাবে রয়েছে:
গোত্রের উত্থান-পতন সম্পর্কে আল্লাহ পাকের বিধান
কুদরতের বিধান এটা যে কোন গোত্রকে নিয়ামত দিয়ে ততক্ষণ পর্যন্ত এই নিয়ামতকে শাস্তি দ্বারা পরিবর্তন করেন না যতক্ষণ পর্যন্ত সেই গোত্র তাদের নিজেদের মন্দ আমল সমূহের কারণে নিজেরা নিজেদেরকে ঐ নিয়ামতের অনুপযুক্ত সাব্যস্ত করে না। পূর্বের ও বর্তমান গোত্রের উত্থান - পতনের জন্য এই অটল বিধান যে নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা ও হক আদায় করাতে নিয়ামত বেড়ে যায় আর অকৃতজ্ঞতা করার কারণে শাস্তি দেয়া হয়। এখানে এই কথা মনে রাখবেন যে কুদরতের এই বিধান অমুসলিম গোত্রের সাথেই নির্দিষ্ট নয় বরং যদি মুসলমানরাও এই বিধানে চলে তখন আল্লাহ পাক তাদের থেকেও আপন প্রদত্ত নিয়ামত সমূহ পুনরায় নিয়ে নেন এবং তাদেরও লাঞ্ছনা ও অপদস্তের সম্মুখিন হতে হয় যেমনকি মুসলমানদের মধ্যে যাদের উত্থান - পতনের কারণ সমূহের জ্ঞান আছে, তারা ভালো করেই জানেন যে যতক্ষণ পর্যন্ত মুসলমান আল্লাহর প্রদত্ত নিয়ামত ও তার হক আদায় করতে থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উত্থানের এই মর্যাদার উপর অদিষ্ট থাকবে আর যখন থেকে মুসলমানরা নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা ও হক আদায় করা থেকে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami