Share this link via
Personality Websites!
দরবারে এই নিয়ামত উঠিয়ে নেয়ার জন্য দোয়া করতেন যেনো দ্বিতীয়বার কোন বেগানা নারীর প্রতি দৃষ্টি পড়ে না যায়, এখানে একটি মাসআলাও মনে রাখবেন যে, অনিচ্ছায় হঠাৎ কোন বেগানা নারীর দিকে দৃষ্টি যাওয়ার পর সাথে সাথে দৃষ্টি সরিয়ে নেয়া ওয়াজিব আর দ্বিতীয়বার দৃষ্টি দেয়া জায়িয নেই যেমনটি আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আমীরুল মুমিনীন হযরত আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ কে ইরশাদ করেন: হে আলী! প্রথম দৃষ্টির পর দ্বিতীয় দৃষ্টি দিওনা (অর্থাৎ হঠাৎ অনিচ্ছাকৃতভাবে কোন মহিলার প্রতি দৃষ্টি পড়ে যায় তবে সাথে সাথে দৃষ্টি সরিয়ে নিন আর দ্বিতীয়বার দৃষ্টি করো না) কেননা প্রথম দৃষ্টি জায়িয আর দ্বিতীয় দৃষ্টি নাজায়িয।
(তিরমিযী, কিতাবুল আদব, হাদীস: ২৭৮৬, ৪/৩৫২)
হাকিমুল উম্মত মুফতি আহমদ ইয়ার খাঁন رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন যে, প্রথম দৃষ্টি দ্বারা উদ্দেশ্য হলো যা অনিচ্ছাকৃত) বেগানা মহিলার প্রতি পড়ে যায় আর দ্বিতীয় দৃষ্টি দ্বারা উদ্দেশ্য হলো দ্বিতীয়বার তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে দেখা। যদি প্রথম দৃষ্টিও না সরিয়ে নেয় তবে সেটাও দ্বিতীয় দৃষ্টির অন্তর্ভূক্ত এবং সেটাতেও গুনাহ হবে। (মিরআতুল মানাজি, ৫/১৭)
বয়ানকৃত ঘটনা থেকে আমরা এই শিক্ষাও পেলাম যে চোখের নিয়ামত থেকে বঞ্চিত হওয়ার সত্ত্বেও আল্লাহ পাকের নেক বান্দা মসজিদে গিয়ে জামআত সহকারে নামায আদায় করতেন আর তাদের মানসিকতা ছিলো যে চোখের নিয়ামত বিদ্যমান না থাকে তাতে কি হয়েছে অন্যান্য নিয়ামত যেমন হাত, পা ইত্যাদি অঙ্গতো নিরাপদ রয়েছে, আর এই বুযুর্গগণতো জামআতে নামায আদায় করার সৌভাগ্য পাওয়ার জন্য কোন উপায় গ্রহণ করে মসজিদে পৌঁছে যেতো, হায়! এই বুযুর্গানে দ্বীনের মাধ্যমে আমরাও নিয়ামতের প্রকৃত অর্থে ধন্য হতে পারতাম, চোখের হিফাযত ও মসজিদে উপস্থিত হওয়ার সৌভাগ্য নসীব হয়ে যেতো, জামআতে নামায আদায় করার স্পৃহা সৃষ্টি হয়ে যেতো।
اَلْحَمْدُ لِلّٰه শায়খে তরিকত আমীরে আহলে সুন্নাত হযরত আল্লামা মাওলানা মুহাম্মদ ইলইয়াস আত্তার কাদেরী دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ মুসলমানদেরকে মসজিদে উপস্থিত হয়ে জামআতে নামায আদায়ের প্রতি যত্নবান হওয়ার মানসিকতা দেওয়ার জন্য নেক আমল নাম্বার ২ ’র মধ্যে বলেন: আপনি কি আজ পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামআত সহকারে আদায় করেছেন?
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami