Share this link via
Personality Websites!
তোমরা আল্লাহ পাকের নিয়ামত সমূহ গণনা করার চেষ্টা করো আর এই কাজে নিজের জীবনটা ব্যয় করে দাও তারপরও এর উপর সক্ষম হতে পারবে না । (খাযন, নাহল, ৩,১৮/১১৭)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! বুঝা গেলো যে আমরা আমাদের অনেক জীবনতো শেষ করতে পারি কিন্তু লক্ষবার চেষ্টা করার সত্ত্বেও এই পবিত্র সত্তার নিয়ামত সমূহকে কখনো গণনা করতে পারবো না আর না তার নিয়ামতসমূহের মধ্যে হতে একটি নিয়ামতের হক আদায় করতে পারবো। তায় বৃদ্ধিমান ব্যক্তির চিন্তাধারা এটা যে, যেভাবে আমরা সম্পদশালী, সুস্থতা, সমৃদ্ধি, যৌবন ও প্রজ্ঞা ইত্যাদির কথা চিন্তা করি থাকি আর কেবল এই অবস্থায় আল্লাহ পাকের নিয়ামত সমূহের গুণগান করি আর এই নিয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এভাবে আমাদের উচিত যে অসহায় ও দরিদ্র, অসুস্থতা, অপারগতা, দুর্দশা, বার্ধক্য ও দূর্বলতা এবং বিপদগ্রস্ত অবস্থাতেও লোকদের সামনে এসে অভিযোগের পরিবর্তে ও নিজের দুঃখ-কষ্ট শুনানোর পরিবর্তে তাঁর অন্যান্য নিয়ামতের কথা স্বরণ করে ধৈর্যশীল ও কৃতজ্ঞতা আদায়কারী হওয়া আর নিয়ামত সমূহের উপর বেশি বেশি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা কেননা প্রকৃতপক্ষে আমাদের মতো অযোগ্যরা তো উপযুক্তও (Capable) ছিলাম না যে আমাদের নিয়ামত দেওয়া হবে, নিয়ামত পাওয়ার কারণেতো এটা হওয়া উচিত ছিলো যে আমরা এগুলোর শোকরিয়া আদায়ার্থে আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টিমূলক কাজ করা এবং তাঁর নাফরমানীমূলক কাজ থেকে বিরত থাকা, কিন্তু আফসোস! এখন অনেক মুসলমান অন্যদের থেকে দেখা-দেখি নিয়ামত পাওয়ার প্রতি ও খুশিতে অনেক সময় যেমন আকিকা, বিয়ে-শাদী ও স্বাধীনতা দিবস ইত্যাদিতে প্রায় সময় আল্লাহ পাকের কৃতজ্ঞতার পরিবর্তে مَعَاذَ الله অন্তর খুলে গান-বাজনা, অদ্ভুত খেলা-ধোলা, আর শরীয়ত পরিপন্থী প্রচলনসমূহ ইত্যাদির মত শয়তানী কাজের মাধ্যমে নিজের পরকালকে ধ্বংস করছে এবং আল্লাহ পাকের অসন্তুষ্টিতা অর্জন করছে। মনে রাখবেন! নিয়ামতের কৃতজ্ঞা প্রকাশ করার এই রীতি মোটেও সঠিক নয় বরং এটাতো নিয়ামতের মারাত্মক অমূল্যায়ন করা কেননা গান-বাজনা শুনা, শুনানো নাজায়িয ও হারাম এবং জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মত কাজ বিশেষ করে নিয়ামত অর্জিত হওয়াতে গান-বাজনা করা তো অনেক মন্দ কাজ। আসুন! গান-বাজনার ধ্বংস সম্পর্কে ৩টি বর্ণনা শুনি ও শিক্ষা অর্জন করি:
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami