Share this link via
Personality Websites!
বার্গার, ছোলা, পিজা, আইসক্রীম, ঠান্ডা পানীয় ইত্যাদি যদি পেটে পৌঁছনো হয়, পেট খারাপ হয়ে যায়। আর আল্লাহর পানাহ! যদি মুখ থেকে বের হওয়ার মুখের দূর্গন্ধ রোগ লেগে যায়, তবে কঠিন পরীক্ষা হয়ে যাবে। কেননা, মুখ থেকে দূর্গন্ধ বের হওয়া অবস্থায় মসজিদ প্রবেশ হারাম। এমনকি যেই সময় মুখ থেকে দূর্গন্ধ বের হয়, ঐ সময় জামায়াত সহকারে নামায আদায় করার জন্য মসজিদে আসা গুনাহ। অথচ আখিরাতের চিন্তার ঘাটতির কারণে অধিকাংশ লোকদের মাঝে খাবারের লোভ খুব বেশি এবং আজ-কাল চতুর্দিকে “ফুড কালছার” এর সময় চলছে। এই সংখ্যক যাদের মুখ থেকে দূর্গন্ধ আসে এর সবচেয়ে বড় চিকিৎসা হলো; সাদাসিদা খাবার তাও আবার ক্ষুধা থেকে কম খাবেন এবং হজম ঠিক রাখবেন। এমনকি যখন খাওয়া শেষ করবেন, খিলাল করে খুব ভালভাবে কুলি ইত্যাদি করে মুখ পরিস্কার রাখার অভ্যাস গড়ুন। অন্যথায় খাবারের অংশ দাঁতের ফাকে (GAPE) থেকে যায়, যেটা দূর্গন্ধ নিয়ে আসে।
শুধুমাত্র মুখের দূর্গন্ধই নয় বরং সব ধরণের দূর্গন্ধ থেকে মসজিদকে বাঁচানো ওয়াজীব। এই কারণে আমাদের মসজিদের আদব সামনে রেখে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করে সুগন্ধি লাগিয়ে মসজিদে উপস্থিত হওয়া উচিত। একটু চিন্তা করুন! যদি আমাদের কোন রাজা, উযীর, বিচারক বা বড় কোন ব্যক্তির কাছে যেতে হয়। তবে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কাপড় পরিধান করি। পাগড়ী, চাদর ইত্যাদি ঠিক করি এবং সুঘ্রাণ লাগায়। কিন্তু মসজিদে যাওয়ার জন্য তেমন গুরুত্ব দিই না, অথচ আল্লাহ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami