Share this link via
Personality Websites!
দিকে ফিরে বললেন: তুমি তোমার সাথীর ময়ূর তাকে ফিরিয়ে দাও। অতএব সে মালিককে তার ময়ূর ফিরিয়ে দিল। (আল খাইরাতিল হিসান, পৃ: ৭৪)
(৩) একবার ইমাম আ’মাশ رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ তাঁর স্ত্রীকে বললেন: যদি তুমি আমাকে আটা শেষ হওয়ার কথা মুখে বলে বা লিখে বা ইশারার মাধ্যমে জানাও, অথবা অন্য কারো মাধ্যমে আটা শেষ হওয়ার কথা বলাও, কিংবা কারো সামনে এই উদ্দেশ্যে আটা শেষ হওয়ার কথা উল্লেখ করো, যাতে সে আমাকে জানিয়ে দেয়, তবে তোমাকে তালাক। এটি শুনে ইমাম আ’মাশ رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর স্ত্রী খুব চিন্তিত হলেন যে, এখন আমি কী করব? আটা শেষ হলে যদি না জানাই তবে সেটিও কষ্টের বিষয়, আর যদি জানিয়ে দিই তবে বড় বিপদে পড়ে যাব। কেউ তাকে পরামর্শ দিল: তোমাকে এই সমস্যা থেকে কেবল ইমামে আযম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِই উদ্ধার করতে পারেন। অতঃপর ইমাম আ’মাশ এর স্ত্রী ইমামে আযমের নিকট এলেন এবং সব কথা বলে এই সমস্যার সমাধান চাইলেন। ইমামে আযম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বললেন: এতে সমস্যা কী? এই সমস্যার সমাধান তো অত্যন্ত সহজ। আর তা হলো; যখন আ’মাশ ঘুমিয়ে পড়বে, তখন তুমি আটার থলিটি তাঁর কাপড়ের সাথে বেঁধে দিও। ঘুম থেকে জেগে তিনি নিজেই আটা শেষ হওয়ার কথা জানতে পারবেন। এটি শুনে ইমাম আ’মাশের স্ত্রীর চিন্তা পুরোপুরি দূর হয়ে গেল এবং তিনি খুব খুশি হলেন। (মানাকিবুল ইমামিল আযম আবি হানীফা লিল মুয়াফফাক, ১/১৫৯)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
سُبْحٰنَ الله! আপনারা শুনলেন যে, আমাদের ইমামে আযম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ কত মেধাবী ছিলেন এবং কীভাবে কয়েক মুহূর্তের মধ্যে মানুষের সমস্যার সমাধান করে দিতেন। আর সেই সময়ের মানুষও কিরূপ সজ্ঞান ছিলেন যে, তাদের কোনো চিন্তা বা কষ্ট
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami