Book Name:Tazkira e Imam e Azam
জ্ঞান অর্জন করেছি, তার পুরোটাই ইমামে আযমের কাছ থেকেই শিখেছি।
৪. হযরত ইমাম আবু ইউসুফ رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: ইমামে আযম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ প্রতিদিন দিন ও রাতে একবার করে কুরআন খতম করতেন এবং রমযান মাসে ঈদের দিন পর্যন্ত ৬২ বার কুরআনুল করীম খতম করতেন। (প্রতিদিন দিনে একটি, রাতে একটি, সারা মাসের তারাবিতে একটি এবং ঈদের দিনে একটি)। (আল খাইরাতিল হিসান, পৃ: ৫০)
৫. হযরত খারিজাহ বিন মুসআ’ব رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: কাবা শরীফের ভেতরে চারজন বুযুর্গ কুরআনুল করীম খতম করেছেন। (১) আমীরুল মুমিনীন হযরত উসমান গণী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ (২) হযরত তামীম দারি رَضِیَ اللهُ عَنْہُ (৩) হযরত সাঈদ বিন জুবাইর رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এবং (৪) ইমামে আযম আবু হানীফা رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ।
(মানাকিবুল ইমামিল আযম আবি হানীফা লিল মুয়াফফাক, ১/২৩৭)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আপনারা শুনলেন যে, আমাদের ইমামে আযম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর ইবাদত, তিলাওয়াত এবং রোযার কী অবস্থা ছিল। তিনি দ্বীনি ইলমের খেদমত এবং আল্লাহ পাকের ইবাদতের জন্য তাঁর সম্পূর্ণ সময় কীভাবে ওয়াকফ করে দিয়েছিলেন, তার অনুমান এই বিষয় দ্বারা করা যায় যে, হযরত আবু আল আহওয়াস رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: যদি ইমামে আযম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ কে বলে দেওয়া হতো যে, আপনি ৩ দিন পর ইন্তেকাল করবেন, তবুও তিনি তাঁর নেক আমলের তালিকায় নতুন কোনো আমল যোগ করতে পারতেন না, কারণ তাঁর কাছে সামান্য সময়ও অতিরিক্ত ছিল না (অর্থাৎ তিনি তাঁর প্রতিটি মুহূর্ত ইতিপূর্বেই নেক আমলে পূর্ণ করে রেখেছিলেন)। (আল খাইরাতিল হিসান, পৃ: ৫৩)
তাঁর সারারাত ইবাদতে মগ্ন থাকার কারণটিও অত্যন্ত চমৎকার এবং আমাদের জন্য শিক্ষণীয়। আর তা হলো যে,