Share this link via
Personality Websites!
ইমামে আযম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ সম্পর্কে বলেন: * ইমামে আযমের সৌভাগ্য মণ্ডিত জন্ম সাহাবায়ে কিরাম عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان এর মুবারক যুগে হয়েছিল এবং তাবেয়ীদের যুগে তিনি মহান মুফতি হয়ে যান। * তিনি সুন্দর চেহারার অধিকারী, পরিষ্কার পোশাকধারী, উত্তম সুগন্ধি ব্যবহারকারী, অত্যন্ত দানশীল এবং তাঁর ভাইদের সাহায্যকারী ছিলেন। * তিনি অনেক বড় আবেদ ও যাহেদ, আল্লাহ পাকের মারিফাত এবং তাঁর ভয়ে ভীতু, নিজের ইলম দ্বারা সর্বদা আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি অন্বেষণকারী ছিলেন এবং বিনয় ও নম্রতার প্রতিবিম্ব ছিলেন। * তিনি ছাত্র ও আলেমদের প্রতি সদাচরণ, সর্বসাধারণের প্রতি সদয় এবং গরিব ও মিসকীনদের আর্থিক সাহায্যকারী ছিলেন। তিনি দয়ালু ও মেহেরবান এবং অভিজ্ঞ ওস্তাদ, স্নেহময় পিতা ও আদর্শ প্রতিবেশী ছিলেন। যিনি কাউকেও কষ্ট দিতেন না, ঋণ গ্রহীতাকে ক্ষমাকারী, নেকীর দাওয়াত প্রদানকারী এবং খারাপ কাজ থেকে বারণকারী, সত্যের উপর অটল, প্রত্যেকের সাথে ন্যায় আচরণকারী এবং যে তাঁকে কষ্ট দিতো তাকে ক্ষমাকারী ছিলেন।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
ইমামে আযমের একটি বিশেষত্ব
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! ইমামে আযম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর অসংখ্য বৈশিষ্টের পাশাপাশি একটি বড় বৈশিষ্ট্য এটাও ছিলো যে, তিনি তাবেয়ী ছিলেন। তাবেয়ী ওই মনিষীকে বলা হয়, যিনি ঈমানের অবস্থায় কোনো সাহাবীর সাক্ষাৎ লাভ করেছেন এবং ঈমানের সাথেই মৃত্যুবরণ করেছেন। (শরহে নাখবাতুল ফিকির, পৃষ্ঠা: ১৩) তাবেয়ীগণ হলেন ওই মুবারক ব্যক্তিত্ব যারা মুসলমানদের প্রকৃত পথপ্রদর্শক হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। * যদি তাঁদের সন্ধান করা হয়, তবে তাঁদের ইলম ও ফযীলতের ভাণ্ডারে, হাদীসে করীমার
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami