Share this link via
Personality Websites!
২. একবার বিখ্যাত আব্বাসী খলিফা হারুন রশিদ رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর নিকট ইমামে আযম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর আলোচনা করা হলে তিনি ইমামে আযমের জন্য রহমতের দোয়া করেন এবং বলেন: তিনি তাঁর বুদ্ধির চোখে এমন কিছু দেখতেন, যা অন্যরা তাদের মাথার চোখ দিয়েও দেখতে পেত না।
৩. আলী বিন আসেম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: যদি ইমামে আযম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর জ্ঞানের অর্ধেক পৃথিবীবাসীর জ্ঞানের সাথে তুলনা করা হয়, তবে তাঁর জ্ঞানই জয়ী হবে।
৪. ইমাম শাফেয়ী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ তো এটাও বলেছেন যে: ইমামে আযম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর চেয়ে বেশি জ্ঞানী কাউকে কোনো মা জন্মই দেয়নি। (আল খাইরাতিল হিসান, পৃ: ৬১-৬২)
৫. ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: এই যে হাদীসে পাক রয়েছে: لَوْ کَانَ الْعِلْمُ بِالثُّـرَ یَّـا لَتَـنَاوَلَہُ رِجَالٌ مِّنْ اَبْنَاءِ فَارَسَ অর্থাৎ যদি জ্ঞান সুরাইয়া নক্ষত্রের কাছেও থাকতো, তবে পারস্যের এক ব্যক্তি অবশ্যই তা অর্জন করে নিত। তিনি বলেন: এই হাদীসে পাকের দৃষ্টান্ত নিশ্চিতভাবে ইমামে আযম আবু হানীফাই رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ। (তবীয়ীযুস সহীফা, পৃ: ৫৯)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আপনারা শুনলেন যে, সমসাময়িক বড় বড় ওলামা, ইমাম, মুফতি এবং বাদশাহগণ আমাদের ইমামে আযম আবু হানীফা رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর জ্ঞানের শান ও শওকত এবং তাঁর অসাধারণ মেধার কথা বর্ণনা করছেন। এই কারণেই হযরত ইমামে আযম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ ইসলামী ফিকহের যে মূলনীতি ও আইনসমূহ সাজিয়েছেন, তা অধিকাংশ ওলামায়ে কিরাম শুধু গ্রহণই করেননি বরং হানাফী ফিকহের উপর আমল করাকে নিজেদের সৌভাগ্য মনে করেছেন। অসংখ্য আউলিয়ায়ে কিরাম
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami