Share this link via
Personality Websites!
(মাওসুয়াতে ইবনে আবিদ দুনিয়া,খণ্ড ১, পৃঃ ২৪, হাদিস: ৯)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! দেখুন! নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কিয়ামত পর্যন্ত সমস্ত ইলমের অধিকারী,কিয়ামত পর্যন্ত যা কিছু হবে, তিনি صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم সকল অবস্থা দেখেন, তিনি জানতেন যে, আমার উম্মত শিরিকে জড়াবে না, আমার উম্মত আল্লাহ পাককে অস্বীকার করবে না, তবে হ্যাঁ, আমার উম্মতের যে সমস্যা হবে সেটা হল বিশ্বাসের দূর্বলতা।
আরেকটি হাদিসে পাক শুনুন! রাসূলে করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: نَجَا اَوَّلُ هٰذِہِ الْاُمَّۃِ بِا لْیَقِیْنِ وَ الزُّهْدِ وَ یَہْلِکُ آخِرُ هٰذِہِ الْاُمَّۃِ بِالْبُخْلِ وَ الْاَمَلِ অর্থাৎ এই উম্মতের প্রথমের লোকেরা বিশ্বাস এবং দুনিয়া বিমুখতার মাধ্যমে নাজাত পেয়ে গেল। আর এই উম্মতের শেষে আসা লোকেরা কৃপণতা ও দীর্ঘ আশার কারণে ধ্বংস হয়ে গেল।
(মাউসুয়া ইবনে আবিদ দুনিয়া, খণ্ড ১, পৃঃ ১৯, হাদীস: ৩)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! বুঝার বিষয়, এই উম্মতের পূর্বের লোকেরা বিশ্বাসের বরকতে নাজাত পেয়ে গেল, আর শেষে আসা উম্মতরা কৃপণতা এবং দীর্ঘ আশার কারণে ধ্বংস হয়ে যাবে। কৃপণতা কী? এক বিশ্বাসহীন অবস্থা, বান্দার যখন আল্লাহ পাক রিযিকদাতা হিসেবে বিশ্বাস থাকে না তখন সে কৃপণতা করে। মোটকথা এটাই বিশ্বাসহীনতা, যেটার কারণে এই উম্মত ধ্বংসে পতিত হবে।
আফসোস! আজকাল এই বিশ্বাসহীনতার অবস্থা ব্যাপক হতে চলেছে। اَلْحَمْدُ لِلّٰه আমরা মুসলমান, আল্লাহ পাকের উপর বিশ্বাস রাখি কিন্তু আফসোস! আমরা তো মানি যে, আল্লাহ পাক রিযিকদাতা, এরপরও সম্পদের পিছনে অনর্থক ঘুরে বেড়াই। কেউ লন্ডন,প্যারিসের স্বপ্ন দেখে। কেউ সুদের সাহায্য নেয় আর কিছু নির্বোধ এমনও আছে আল্লাহর পানাহ! টাকার জন্য ঈমান পর্যন্ত বিক্রি করে দেয়। আমরা মানি যে, আল্লাহ পাক বিপদ থেকে মুক্তি দান করেন কিন্তু দুশ্চিন্তা ও হতাশার স্বীকার থাকি। আমরা মানি যে, নামায দুনিয়াও সজ্জিত করে দেয়,আখিরাতও সজ্জিত করে দেয় কিন্তু নামাযের উপর
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami