Share this link via
Personality Websites!
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! একটু চিন্তা তো করুন যে কিয়ামতের দিন যদি জ্ঞিজ্ঞাসা করা হয় যে আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর আদরের নাতি তো দ্বীনের রাস্তায়, ফরয আদায়ের জন্য ক্ষুধার্ত ও পিপাসার্ত হয়ে শহীদ হয়েগেলো, তোমরা কি কিছু কুরবানী দিয়েছ? বলুন! তখন কি উত্তর দিবেন? হায়! ঐসময় জিহ্বা মাটির সাথে মিশে যাবে, যদি কেউ বাহানা বানিয়েও নিলো তাহলে তা শুনা হবে কখন? ঐটা শাস্তি ও প্রতিদানের দিন, ঐটা তো ন্যায়বিচারের দিন।
হে ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর আশিকগণ! আজ ফরয আদায় করার দিন, আজ নিজের যিম্মাদারী পালন করার দিন, বাহানা করে, উল্টো মানতিক চালিয়ে আমরা নিজেদের তো শান্ত করতে পারব কিন্তু আল্লাহ পাকের রহমতের অংশিদার হতে পারবো না, হোসাইনের নানাজান প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর অনুগ্রহ হয়নি তো নিশ্চিত মেনে নিন! জান্নাতের সুঘ্রাণও নেয়া যাবে না, হায়! জাহান্নাম ঠিকানা হলো কি হবে! হায়! হায়! জাহান্নামের জ্বলন্ত আগুণ, বড় বড় বিচ্ছু, মোটা মোটা সাঁপ শরীরের সাথে জড়িয়ে দেয়া হয় তো কি হবে। জাহান্নামীদের শরীর থেকে প্রবাহিত পুঁজ পান করতে হয় তো কি করবেন?
হে আশিকানে রাসূল! এই দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী! কিছু রোযা, এখানে কষ্টও স্বীকার করতে হয় তো পেরেশানী কিসের? যদি নামাযের জন্য কিছু সময়ের জন্য ঘরের কাজ-কর্ম ও অন্যান্য কার্যাদি বন্ধ করতে হয়, দোকানও বন্ধ করতে হয়, নতুন নতুন ফ্যাশন অনুসরণ করতে মন চাই কিন্তু ধৈর্যধারণ করে, নফসের
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami