Share this link via
Personality Websites!
আমাদের উপর আবশ্যক হলো আমরা ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর পবিত্র জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করি এবং হিকমতে আমলী সহকারে, কুরআন ও হাদীসের অনুসরণ করে, শরীয়াতের সীমার মধ্যে থেকে নেকীর দাওয়াত দিই, মন্দ কাজ থেকে বাধা প্রদান করি। এটা কারবালার শিক্ষা আর এটা ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর আদর্শ।
নেক আমল নাম্বার ৩ এর তাগিদ:
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! এখনি আপনারা শুনলেন! ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ কারবালার ময়দানেও নেকীর দাওয়াত দিয়েছেন এবং এটাও আপনারা জানেন যে, ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ যুদ্ধের ময়দানে, তরবারীর ছায়ার মধ্যে এবং শত্রুদের সামনে থাকার পরও নামায ছাড়েননি, যদি আমরা সত্যিই হোসাইনী ও ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর প্রতি সত্যিকারের ভালবাসা রাখি তাহলে আমাদেরও উচিত নামাযের প্রতি যত্নশীল হওয়া নিজেরাও নামায পড়ি এবং অন্যদেরকেও নামাযের দাওয়াত দেয়া। শায়খে তরীকত আমীরে আহলে সুন্নাত دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ আমাদের যেই “৭২টি নেক আমল” দান করেছেন তার মধ্য হতে নেক আমল নাম্বার ৩ হলো “আপনি কি আজ ঘর, বাজার, মার্কেট ইত্যাদি যেখানেই ছিলেন, সেখানে নামাযের সময়ে নামায পড়ার পূর্বে নামাযের দাওয়াত দিয়েছেন? (যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামাযে যেকোন একজনকে নিজের সাথে মসজিদে নিয়ে যাওয়ার সৌভাগ্য হতো)” এটার উপর আমলের বরকতে এক তো আমাদের নামাযের প্রতি
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami