Share this link via
Personality Websites!
ঐ ব্যক্তিও ঐ বাদশার সাথে (শাস্তির স্থানে) দন্ডায়মান হবে। (তারিখে তিবরি, ৩/৩০৬ পৃষ্ঠা) হে লোকেরা! (অর্থাৎ ইয়াজিদ ও ইয়াজিদিরা) শয়তানের অনুসরণ করাকে আবশ্যক করে নিয়েছে, আল্লাহ পাকের আনুগত্য ছেড়ে দিয়েছে, ফ্যাসাদ ছড়িয়ে দিয়েছে, আল্লাহ পাকের হুকুমের সীমা অতিত্রুম করেছে, হারামকে হালাল করেছে, হালালকে হারাম বানিয়েছে এবং আমি এই বিষয়ের হকদার (অর্থাৎ ইয়াজিদকে তার জুলুম থেকে বাধা প্রদান করা আমার উপর আবশ্যক)।
হে আশিকানে রাসূল ও আহলে বাইত, হে আশিকানে ইমাম হোসাইন! ইমাম হোসাইন এর এই ঈমান সতেজকারী খুতবার এক একটি শব্দ বলতেছে যে ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ দ্বীনের বিরুদ্ধবাদীদের বিপক্ষে ছিলেন, ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ! জুলুমের বিপক্ষে ছিলেন, ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ গুনাহের বিপক্ষে ছিলেন, ইমাম হোসাইন দ্বীনের হেফাযতকারী ছিলেন আর আমরা اَلْحَمْدُ لِلّٰه! ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর গোলাম, আমরা হোসাইনী আদর্শ পছন্দ করি, আমরা ইয়াজিদি কর্মকান্ডকে ঘৃণা করি।
এখন একটু ন্যায়ের সাথে আমরা আমাদের নিজেদের ব্যাপারে চিন্তা করি, আমাদের অবস্থান কি আমাদেরকে হোসাইনী হওয়ার সাক্ষ্য দেয়, আমাদের পোশাক আমাদেরকে হোসাইনী হওয়ার সাক্ষ্য দেয় কি? আমাদের চেহারা, আমাদের জীবনের ধরন, আমাদের চাল-চলন এসবকিছু আমাদেরকে হোসাইনী হওয়ার সাক্ষ্য দিচ্ছে কি? যদি না দিয়ে থাকে তাহলে হে আশিকানে রাসূল! হে আশিকানে সাহাবা ও আহলে বাইত! হে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami