Share this link via
Personality Websites!
ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ তো জান্নাতী যুবকদের সর্দার বরং জান্নাতের মালিক, নিয়ামত বন্টনকারী, প্রিয় নবী হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর নাতি, দুনিয়ার হাজারো মুকুট, লাখো আসন ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর কদমের ধূলোর সমান নয়। তারপরও ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ ইয়াজিদের বিরুদ্ধে কেন লড়েছেন? এটার অনেক সহজ ও স্পষ্ট উত্তর হলো: ইমাম হোসাইান رَضِیَ اللهُ عَنْہُ মূলত দ্বীনের বিরুদ্ধবাদীদের বিরুদ্ধে ছিলেন। অভিশপ্ত ইয়াজিদ দ্বীনের পরিপন্থী ছিলো, ইয়াজিদ দ্বীনকে শরীয়াতের বিধানকে নষ্ট করতে চেয়েছিল, ইয়াজিদ দুশ্চরিত্র ছিলো, দুশ্চিরত্রকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিল, ইয়াজিদ জালিম ছিলো, ফাসিক ছিলো, এজন্য ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ ইয়াজিদের বিরুদ্ধে আমলীভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ যখন কূফা তাশরিফ নিয়ে যাচ্ছিলেন, রাস্তার মধ্যে এক জায়গায় ইয়াজিদ বাহিনী ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর কাফেলা আটকালেন, ঐসময় ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ খুতবা দিচ্ছিলেন, ঐ খুতবার মধ্যে কারবালার আসল উদ্দেশ্য ও কারবালার পুরো ইতিহাসের বর্ণনা, ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ বলেন: হে লোকেরা! নিশ্চয় আল্লাহ পাকের প্রিয় রাসূল صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: যে ব্যক্তি জালিম বাদশাহকে দেখে, এমন বাদশাহ যে হারামকে হালাল করে, আল্লাহ পাকের ওয়াদা ভঙ্গ করে, সুন্নাতের পরিপন্থী হয়, আল্লাহ পাকের বান্দাদের মধ্যে গুনাহ ও অবাধ্যতা ছড়িয়ে দেয়, এরকম বাদশাহকে অবলোকনকারী যদি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী নিজের কথা ও কাজের মাধ্যমে ঐ বাদশাহকে নেকীর দাওয়াত না দেয়,
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami