Muaaf Karne Ke Fazail

Book Name:Muaaf Karne Ke Fazail

মতো কাঁপতে লাগল, কিন্তু রহমতপূর্ণ ললাট দেখে সবাই একযোগে বলল যে, আপনি অত্যন্ত দয়ালু

    সবার লোলুপ দৃষ্টি নবুয়তের সৌন্দর্যের দিকে তাকিয়ে ছিল এবং সবার কান নবুয়তের চূড়ান্ত ফয়সালা শোনার অপেক্ষায় ছিল যে, হঠাৎ মক্কা বিজেতা প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আপন দয়ালু সুরে ইরশাদ করলেন: لَاتَثْرِیْبَ عَلَیْکُمُ الْیَوْمَ فَاذْھَبُوْا اَنْتُمُ الطُّلَقَآءُ আজ তোমাদের প্রতি কোনো অভিযোগ নেই, যাও তোমরা সবাই মুক্ত

    সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবে হঠাৎ রিসালাতের এই ঘোষণা শুনে সব অপরাধীর চোখ অনুশোচনায় অশ্রুসিক্ত হয়ে গেল এবং তাদের মুখ থেকে জারি হওয়া لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْ لُ الله صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর ধ্বনিতে কাবা শরীফের দেয়াল পরিবেশে সবদিকে নূরের বৃষ্টি হতে লাগল (সীরাতে মুস্তফা, পৃ: ৪৩৭-৪৪১)

صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب!         صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد

    প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আমরা যদি আম্বিয়া মুরসালীন عَلَیْهِمُ السَّلَام, সাহাবা তাবেয়ীন عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان এর পাশাপাশি বুযুর্গানে দ্বীন رَحِمَہُمُ اللهُ الْمُبِيْن এর জীবনী অধ্যয়ন করি তবে তাঁদের জীবনী থেকেও আমরা ক্ষমা মার্জনা সংক্রান্ত অনেক মাদানী ফুল পাব আল্লাহ পাক তাঁর এই নৈকট্যশীল বান্দাদের যেমন অন্যান্য অনেক অতুলনীয় গুণে ধন্য করেন, তেমনই এই গুণটিও তাঁদের চরিত্রের অংশ হয়ে থাকে যে, তাঁরা মানুষকে ক্ষমা করেন এবং বান্দার হক আদায়ে ত্রুটি করেন না মানুষ তাঁদের হক কেড়ে নেয় কিন্তু এই ব্যক্তিরা মানুষের হক আদায় করার প্রতি কখনো উদাসীন হন না মূর্খ মানুষ তাঁদের নানা ধরণের কষ্ট দেয় কিন্তু এই ব্যক্তিরা তাদের ইটের জবাব পাথর দিয়ে দেয়া এবং নফসের জন্য রাগ করার পরিবর্তে তাদের জন্য দোয়া করেন এবং ক্ষমার মাধ্যমে সাওয়াবের ভাণ্ডার অর্জন করেন আসুন! অনুপ্রেরণার জন্য এই বিষয়ে ৩টি উপদেশমূলক ঘটনা শুনি:

. গোলামকে আযাদ করে দিলেন!