Muaaf Karne Ke Fazail

Book Name:Muaaf Karne Ke Fazail

ক্ষতবিক্ষত করেছিল। ঐসব ঘাতক ও হিংস্র লোকেরাও ছিল, যারা তাঁর গলায় চাদরের ফাঁস লাগিয়ে তাঁর শ্বাসরোধ করতে চেয়েছিল। তারা তাঁর রক্তের তৃষ্ণার্তও ছিল, যাদের তৃষ্ণা নবুয়তের রক্ত ছাড়া অন্য কিছুতে মিটতো না। ঐসব অত্যাচারী ও রক্তপিপাসুরাও ছিল, যাদের আক্রমণ ও অত্যাচারে বারবার মদীনা মুনাওয়ারার দেয়াল কেঁপে উঠেছিল। ঐসব নিপীড়নকারী যারা নবুয়তের প্রানোৎসর্গকারী পতঙ্গ হযরত বিলাল, হযরত সুহাইব, হযরত আম্মার, হযরত খাব্বাব, হযরত খুবাইব, হযরত যায়েদ বিন দাছিন্নাহ رَضِیَ اللهُ عَنْہُمْ ইত্যাদিকে রশি দিয়ে বেঁধে চাবুক মেরে মেরে জ্বলন্ত বালুর উপর শুইয়ে দিয়েছিল, কাউকে আগুনের জ্বলন্ত কয়লার উপর শুইয়েছিল, কাউকে চাদরে পেঁচিয়ে নাকে ধোঁয়া দিয়েছিল, শতবার গলা টিপে ধরেছিল। আজ এই সব অপরাধী ১০-১২ হাজার মুহাজির ও আনসার বাহিনীর অধীনে অপরাধী হয়ে দাঁড়িয়ে কাঁপছিল এবং মনে মনে ভাবছিল যে, হয়তো আজ আমাদের লাশ কুকুরকে দিয়ে ছিড়ে মাংসগুলো চিল-শকুনকে খাওয়ানো হবে এবং আনসার ও মুহাজিরদের ক্ষিপ্ত বাহিনী আমাদের প্রতিটি শিশুকে ধূলিসাৎ করে আমাদের বংশ নিপাত করে দিবে এবং আমাদের জনপদগুলো ধ্বংস ও তছনছ করে দিবে। সেই অপরাধীদের বুকে ভয় ও আতঙ্কের তুফান চলছিল। আতঙ্ক ও ভয়ে তাদের শরীরের প্রতিটি অংশ কাঁপছিল, কলিজা মুখে চলে এসেছিল। এই নিরাশা ও হতাশার ভয়ংকর পরিবেশে হঠাৎ প্রিয় আক্বা, মাক্কী-মাদানী মোস্তফা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর রহমতের দৃষ্টি তাদের প্রতি নিবদ্ধ হলো এবং সেই অপরাধীদের তিনি صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم জিজ্ঞাসা করলেন: বলো! তোমরা কি জানো আজ আমি তোমাদের সাথে কী আচরণ করতে যাচ্ছি? এই আতঙ্কজনক ও ভীতিপ্রদ প্রশ্নে অপরাধীরা জ্ঞান হারিয়ে ফেলার